নেতিবাচক রাজনীতির কারণে চা-চক্র বর্জন করেছে ঐক্যফ্রন্ট -----ওবায়দুল কাদের

আপডেট : ০১ ফেব্রুয়ারি ২০১৯, ২২:২৫

আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক এবং সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদের বলেছেন, বিএনপি নেতিবাচক রাজনৈতিক ধারা আঁকড়ে ধরে আছে। এ কারণে তারা প্রধানমন্ত্রীর চা-চক্রের আহ্বান বর্জন করেছে। গতকাল শুক্রবার ধানমন্ডিস্থ আওয়ামী লীগ সভানেত্রীর রাজনৈতিক কার্যালয়ে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে তিনি আরো বলেন, প্রধানমন্ত্রী যে চা-চক্রের আয়োজন করেছেন, সেখানে যোগ দিয়ে বিএনপি-ঐক্যফ্রন্ট খোলামেলা আলাপ করতে পারে। আসলে নেতিবাচক ধারা অব্যাহত রাখায় রাজনীতিতে বিএনপি খাদের কিনারায় পড়েছে। বিএনপি যদি তাদের চিরাচরিত নেতিবাচক রাজনীতির ধারা আঁকড়ে ধরে থাকে, তাহলে তারা অন্ধকারের খাদে পড়ে যাবে।

ওবায়দুল কাদের বলেন, ‘৩০ ডিসেম্বর অনুষ্ঠিত অংশগ্রহণমূলক একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন দেশে-বিদেশে প্রশংসিত হয়েছে। রাজনীতিতে জয়-পরাজয় ও জোয়ার-ভাটা আছে। ঐক্যফ্রন্ট-বিএনপি সংসদ বর্জনের মতো অগণতান্ত্রিক মানসিকতার প্রকাশ ঘটালে সেটা গণতন্ত্রের জন্য শুভ নয়। তাদের নিজের অস্তিত্বের জন্য ক্ষতিকর। নেতিবাচক রাজনীতির ধারা অব্যাহত রাখলে বিএনপি বিদেশেও বন্ধুহীন হয়ে পড়বে।’ তিনি বলেন, বিএনপির আন্দোলনে দেশের জনগণ আগ্রহী নয়। গত দশ বছরে তারা কোনো আন্দোলন করতে পারেনি। তারা আন্দোলনের ডাক দিতে পারে, জনগণ যদি সাড়া না দেয়, সাফল্য আসবে না।

বিএনপিকে উদ্দেশ ক?রে ওবায়দুল কাদের ব?লেন, গত সংসদে না থেকেও নির্বাচনে তারা যতটুকু বিজয়ের অংশীদার হয়েছে, এটা নিয়েই তাদের সংসদে যাওয়া উচিত। সংসদের ভেতরে-বাইরে দুই ক্ষেত্রেই আন্দোলন করা যায়। তারা সংসদে গেলে বিরোধী কণ্ঠ উচ্চারিত হবে। তাছাড়া সংসদ বর্জন করা দলের জন্য ক্ষতিকর। বিএনপি যদি সংসদ বর্জনের মানসিকতা ঘটায় তাহলে সেটা তাদের অস্তিত্বের জন্য ক্ষতিকর। বিএনপি সংসদে সংখ্যায় কম হলেও তারা জোরালো ভূমিকা রাখতে পারেন।

তিনি আরো বলেন, ‘অতীতেও বিভিন্ন হলে ডাকসু নির্বাচনের ভোট কেন্দ্র ছিল। এ নিয়ে বিতর্কের কিছু নেই। ডাকসু নির্বাচন অবাধ ও সুষ্ঠু হবে। শিক্ষার্থীরা তাদের ভোটাধিকার প্রয়োগ করতে পারবে। ডাকসু নির্বাচনকে সামনে রেখে জাতীয় রাজনীতিতে কোনো প্রভাব পড়বে না।’