গার্মেন্টসের যে কোন ধরনের সমস্যা নিয়ে সংশ্লিষ্ট পক্ষগুলোর সঙ্গে আলোচনা ও যোগাযোগ রক্ষার জন্য প্রতি কারখানায় একজন করে ফোকাল পয়েন্ট কর্মকর্তা রাখার সিদ্ধান্ত নিয়েছে শ্রম ও কর্মসংস্থান মন্ত্রণালয়। শিগগিরই এই সিদ্ধান্ত বাস্তবায়নের জন্য কারখানার মালিকদের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। এছাড়া গার্মেন্টস খাতে ঘোষিত মজুরি কাঠামো বাস্তবায়নের বিষয়টি দেখভালের জন্য এবং কোন অসন্তোষ দেখা দিলে তা সমাধানের লক্ষ্যে দেশব্যাপী বিভিন্ন এলাকাভিত্তিক ২৯টি কমিটি গঠন করা হয়েছে। ওই কমিটি কারখানা কর্তৃপক্ষের সঙ্গে আলোচনার ভিত্তিতে ওই ফোকাল পয়েন্ট ঠিক করবেন। গতকাল বৃহস্পতিবার রাজধানীর সিরডাপ মিলনায়তনে এক সভায় শ্রম মন্ত্রণালয়ের পক্ষ থেকে এ তথ্য জানানো হয়। শ্রমিকদের কর্মক্ষেত্রের সমস্যা বিনা খরচে যে কোন সময় মোবাইল ফোনের মাধ্যমে জানানোর জন্য হেল্প লাইন চালু উপলক্ষে ওই আলোচনা সভার আয়োজন করা হয়। শ্রম সচিব আফরোজা খানের সভাপতিত্বে এতে প্রধান অতিথি ছিলেন শ্রম ও কর্মসংস্থান প্রতিমন্ত্রী বেগম মন্নুজান সুফিয়ান।
১৬৩৫৭ নম্বরের ওই হেল্পলাইনের মাধ্যমে শ্রমিক যে কোন সময় যে কোন মোবাইল থেকে তার কর্মক্ষেত্রের যে কোন অভিযোগ জানাতে পারবেন। এ কার্যক্রম দেখভাল করবে শ্রম মন্ত্রণালয়ের আওতাধীন কলকারখানা ও প্রতিষ্ঠান পরিদর্শন অধিদপ্তর (ডিআইএফই)।
প্রতিমন্ত্রী মন্নুজান সুফিয়ান বলেন, মালিকপক্ষ সহজে শ্রমিকদের অভিযোগ আমলে নিতে চান না। ফলে সমস্যা বেড়ে যায়। কয়েকটি গ্রেডে শ্রমিকদের মজুরি আশানুরূপ হারে না বাড়ায় অসন্তোষ সৃষ্টি হয়েছে।
ইন্ডাস্ট্রিঅল বাংলাদেশ কাউন্সিলের (আইবিসি) মহাসচিব সালাউদ্দিন স্বপন ডিআইএফইকে কার্যকর করার তাগিদ দেন। বিজিএমইএ’র সভাপতি সিদ্দিকুর রহমান বলেন, কারখানায় অসন্তোষে ইন্ধনদাতাদের বিভিন্ন সময়ে প্রমাণসহ ধরা হলেও সাজা হয়নি।
শ্রম সচিব আফরোজা খানের সভাপতিত্বে নতুন মজুরি বাস্তবায়নের ক্ষেত্রে বিজিএমইএ ও বিকেএমইএ’র সদস্য বহির্ভূত কারখানার বিষয়ে চিন্তা করার আহ্বান জানান। এসময় আইএলও’র প্রতিনিধি গগন রাজভান্ডারি ছাড়াও কারখানা মালিক ও শ্রমিক পক্ষের প্রতিনিধিরা উপস্থিত ছিলেন।
