কঠোর পরিশ্রমেই সফলতা...

আপডেট : ০৮ জুন ২০২১, ২০:৩৬

>> আফরিদা ইফরাত

 

দীর্ঘ ২০ বছর ধরে ফু-ওয়াং গ্রুপে নিরলসভাবে কাজ করে চলেছেন রফিকুজ্জামান ভূঁইয়া। ডায়নামিক, চৌকস এবং দক্ষ কর্মকর্তা হিসেবে তার সুনাম দেশজুড়ে। এই দীর্ঘ পথে তার অভিজ্ঞতাগুলোকেই সম্বল করে এগিয়ে চলেছেন তিনি। রফিকুজ্জামানের বেড়ে ওঠা নরসিংদীর শিবপুরে। তিতুমীর কলেজ থেকে ইন্টারমিডিয়েট শেষ করেই চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ে বিএসএস ও এমএসএস সম্পন্ন করেন। দেশের একটি বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয় থেকে এমবিএ সম্পন্ন করার পর জীবিকার সন্ধানে নেমে পড়েন। খুব আগে থেকেই রফিকুজ্জামানের সিদ্ধান্ত ছিল কর্পোরেট সেক্টরেই নিজের ক্যারিয়ার গড়ে তোলা। শুরু করেন ফু-ওয়াং গ্রুপে নিজের ক্যারিয়ার। ২০ বছরের চাকরি জীবনে তিনি ফু-ওয়াং গ্রুপ এবং পরবর্তীকালে ফু-ওয়াং সিরামিকে নির্বাহী কর্মকর্তা হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন।

রফিকুজ্জামান সবসময় কাজকে গুরুত্ব দিয়েছেন। চাকরির শুরুতে তার তেমন কোনো অভিজ্ঞতা ছিল না। কিন্তু ইচ্ছাশক্তি ও সাধনার মাধ্যমে নিজেকে আস্তে আস্তে গড়ে তুলেন তিনি। নিজের কাজের পেছনে তিনি সবসময় পর্যবেক্ষণ এবং স্বাভাবিক বুদ্ধিকে কাজে লাগাতে পছন্দ করেন। ফলশ্রুতিতে, ফু-ওয়াং গ্রুপকে বিভিন্ন সময়ে বিভিন্ন ব্যবসা-সংক্রান্ত সংকট উের যেতে সাহায্য করেছেন। তার বিশ্বমানের পরিকল্পনার মাধ্যমেই ফু-ওয়াং সিরামিক দেশের সেরা কর্পোরেট প্রতিষ্ঠানগুলোর একটি হয়ে উঠেছে। ২০০০ সালে ফু-ওয়াং গ্রুপে কাজ শুরু করার পর পার হয়েছে  অনেকগুলো বছর। এরপর বিভিন্ন সময়ে ফুয়াং ফুড, বেভারেজসহ ফু-ওয়াং গ্রুপের অন্যান্য প্রতিষ্ঠানে দক্ষতার সঙ্গে দায়িত্ব পালন করেছেন তিনি। বর্তমানে তিনি কাজ করছেন ফু-ওয়াং সিরামিকসে। টাইলস দিন দিন বাংলাদেশে জনপ্রিয় হয়ে উঠতে শুরু হয়েছে। বিশেষত এই শিল্পক্ষেত্রে চিনাদের দখলকৃত বাজারের চ্যালেঞ্জ তো আছেই। কিন্তু কর্পোরেট জীবনে প্রয়োগ করছেন বিশ্বোপযোগী পরিকল্পনা। তিনি মনে করেন, দেশের প্রণিধানযোগ্য সিরামিক কোম্পানিগুলোকে একটি ইকোনমিক জোনের অন্তর্ভুক্ত করতে পারলে এই সমস্যাগুলো উের যাওয়া সম্ভব। রফিকুজ্জামান চাকরি করবেন এই বিষয়ে তিনি ছিলেন অটল। সততা ও অধ্যবসায় তাকে এগিয়ে যেতে সাহায্য করেছে। বাংলাদেশে অনেক মেধাবী শিক্ষার্থী আছে বলেই মনে করেন তিনি। তরুণদের প্রতি তার পরামর্শও তার জীবনের মতোই স্পষ্ট। কর্পোরেট সেক্টরে নিজের ক্যারিয়ার শুরুর ক্ষেত্রে নিজের সিদ্ধান্তকে স্পষ্ট রাখতে হবে। মূূলত যে ক্ষেত্রে কাজ করে সন্তুষ্টি পাওয়া যাবে, সেদিকেই এগিয়ে যাওয়া উচিত। নিজের দক্ষতাকে ক্ষুরধার করার ক্ষেত্রে অধ্যবসায় এবং কঠোর পরিশ্রমকে গুরুত্ব দিতে হবে।