অস্ট্রেলিয়ায় বসবাস...

আপডেট : ০৯ জুন ২০২১, ২০:২২

আনন্দ বিনোদন প্রতিবেদক

 

২০১৯ সালের ১০ জুলাই অস্ট্রেলিয়া প্রবাসী এক ইঞ্জিনিয়ারকে বিয়ে করে প্রবাসী হন বাংলাদেশের নাট্যাঙ্গনের দর্শকপ্রিয় অভিনেত্রী ইশানা। মাঝে শুধু একবার দেশে এসেছিলেন। এরপর আর তার দেশে আসার সুযোগ হয়ে উঠেনি করোনার কারণে। ইশানা সেখানে এরইমধ্যে বাংলাদেশ থেকে যাওয়া কয়েকজন নাট্যনির্মাতার নির্দেশনায় অভিনয়ও করেছেন। এখনো তার অভিনয়ের প্রতি রয়েছে প্রবল আগ্রহ। তবে এরইমধ্যে ইশানা নতুন একটি ভালো খবর দিলেন। অস্ট্রেলিয়ায় অবস্থিত শিক্ষার্থীদের মাইগ্রেশন বিষয়ে কাজ করে এমন বিখ্যাত প্রতিষ্ঠান ‘অ্যাপোলো ইন্টারন্যাশনাল’-এ যোগ দিয়েছেন তিনি। প্রতিষ্ঠানটির মার্কেটিং অ্যান্ড স্টুডেন্ট রিক্রুটমেন্ট বিভাগের নির্বাহী হিসেবে কাজ শুরু করেছেন। অস্ট্রেলিয়ায় এমন একটি প্রতিষ্ঠানে চাকরি পেয়ে ভীষণ আনন্দিত ইশানা। তিনি বলেন, ‘আমি যে প্রতিষ্ঠানটিতে চাকরি করা শুরু করেছি তার সঙ্গে অস্ট্রেলিয়ার বড় বড় শিক্ষা প্রতিষ্ঠানগুলোর সরাসরি যোগাযোগ রয়েছে। বাংলাদেশ, নেপাল, ভারতেও প্রতিষ্ঠানটির শাখা রয়েছে। এমন একটি স্বনামধন্য আন্তর্জাতিক প্রতিষ্ঠানে চাকরি শুরু করতে পেরে ভীষণ ভালো লাগছে আমার। আমার কাছে এই চাকরি অনেক সম্মানের এবং ভীষণ ভালোলাগার। সবাই আমার জন্য দোয়া করবেন বিদেশের মাটিতে যেন দেশের সম্মান বৃদ্ধি করতে পারি নিজের কাজের মধ্যদিয়ে।’ ইশানা জানান, করোনা না থাকলে দেশে আসতেন বাবা মায়ের সঙ্গে দেখা করতে। অস্ট্রেলিয়ায় কিছুদিনের মধ্যে ইশানা একটি নাটকের শুটিংয়ে অংশ নিবেন। বর্তমানে নাটকটির প্রি-প্রোডাকশনের কাজ চলছে বলে জানান ইশানা। যেহেতু ইশানাকে সপ্তাহে পাঁচদিন অফিস করতে হবে তাই ছুটিতেই তিনি নাটকের কাজ করে নিতে পারবেন বলে জানান। এদিকে, দেশে থাকা ইশানার বাবা মাহাবুবুল আলম, মা নীলিমা ইসলাম মেয়ের এই চাকরি প্রাপ্তিতে ভীষণ খুশি। ইশানার মা নীলিমা ইসলাম বলেন, ‘আলহামদুলিল্লাহ, মেয়ের চাকরি প্রাপ্তির খবরে ভীষণ ভালো লাগছে। আল্লাহ যেন তাকে সুস্থ রাখেন, ভালো রাখেন— এই দোয়া চাই সবার কাছে।’ এরইমধ্যে অস্ট্রেলিয়ায় ইশানা লিটু করিমের নির্দেশনায় ধারাবাহিক নাটক ‘মন দরজা’য় অভিনয় করেন। উল্লেখ্য, ইশানার স্বামী ২০০৫ সাল থেকে মিডিয়ায়  কাজ শুরু করেন। তার স্বামীর শুরুটা ছিল উপস্থাপনা দিয়ে। ‘মন দরজা’র আগে ইশানা সর্বশেষ জুয়েল শরীফের নির্দেশনায় ‘যাপিত জীবন’ ধারাবাহিকে অভিনয় করেন। এতে তার সহশিল্পী ছিলেন মানস বন্দ্যোপাধ্যায়, গোলাম ফরিদা ছন্দাসহ আরো অনেকে।