প্রস্তাবিত বাজেটে অগ্রিম আয়কর প্রত্যাহারের আহ্বান ইএবির

আপডেট : ০৯ জুন ২০২১, ২১:০০

ইত্তেফাক রিপোর্ট

অগ্রিম আয়কর (এআইটি) ব্যাবসায়িক খরচ বাড়িয়ে দেবে। এর ফলে ব্যবসা-বাণিজ্যের ক্ষেত্রে অচলাবস্থার সৃষ্টি হওয়ার আশঙ্কা করছে এক্সপোর্টার্স অ্যাসোসিয়েশন অব বাংলাদেশ (ইএবি)। প্রস্তাবিত বাজেটে এই অগ্রিম আয়কর প্রত্যাহারের অনুরোধ জানিয়েছে ইএবি। ২০২১-২২ অর্থবছরের প্রস্তাবিত বাজেট নিয়ে প্রতিক্রিয়ায় ইএবি সভাপতি আবদুস সালাম মুর্শেদী এমপি উল্লেখ করেছেন, সব প্রকার উত্স কর ও অগ্রিম কর চূড়ান্ত কর হিসেবে সমন্বয় করা জরুরি। আমদানি পর্যায়ে ভ্যাটের আগাম কর (এটি) ৪ শতাংশ থেকে কমিয়ে ৩ শতাংশ করা হয়েছে। আগাম করের কারণে ব্যাবসায়িক খরচ বৃদ্ধি পায় বিধায় আগাম কর সম্পূর্ণ প্রত্যাহার করার দাবি জানান তিনি।

প্রস্তাবিত বাজেট বিনিয়োগ এবং ব্যবসাবান্ধব উল্লেখ করে তিনি বলেন, বাস্তবতার নিরিখে দেশের অর্থনৈতিক কার্যক্রম সচল ও গতিশীল রাখার চেষ্টা প্রস্তাবিত বাজেটে প্রতিফলিত হয়েছে। সামাজিক নিরাত্তা বেষ্টনী, অবকাঠামো, শিক্ষা, স্বাস্থ্যসহ বিভিন্ন খাতে গুরুত্ব দেওয়ায় বাজেট যুগোপযোগী হয়েছে।

প্রস্তাবিত বাজেটে কিছু বিষয় অন্তর্ভুক্ত করার আহ্বান জানিয়ে তিনি উল্লেখ করেন, রপ্তানিমুখী শিল্প বিশেষ করে পোশাকশিল্পের উেস কর শূন্য দশমিক ২৫ শতাংশ আগামী পাঁচ বছর অব্যাহত রাখার প্রয়োজন। সর্বমোট প্রাপ্তি ৩ কোটি টাকা বা ততোধিক হলে ব্যক্তি আয়কর দাতাদের ক্ষেত্রে ন্যূনতম করের হার শূন্য দশমিক ৫০ শতাংশ থেকে কমিয়ে শূন্য দশমিক ২৫ শতাংশ করা হয়েছে। সব ব্যবসাপ্রতিষ্ঠানের ক্ষেত্রে এ নূ্যূনতম করের হার শূন্য দশমিক ২৫ শতাংশ করার প্রস্তাব করেন তিনি।  সব রকম সুতার ওপর ৩ টাকা মূল্য সংযোজন কর ধার্যসহ সুতা তৈরিতে ব্যবহূত সব ফাইবারকে শুল্কমুক্তভাবে আমদানির সুবিধা প্রদানের অনুরোধ জানানো হয়। এছাড়া রপ্তানিমুখী শিল্পের রপ্তানির বিপরীতে প্রদত্ত নগদ সহায়তার ওপরে আয়কর মওকুফ করা, যন্ত্রাংশ আমদানিতে রেয়াতি সুবিধাসহ একগুচ্ছ প্রস্তাব দেওয়া হয় ইএবির পক্ষ হতে।