ম ননশীল ও ইসলামি লেখক আল ফাতাহ মামুনের ‘আলোকিত ভোরের প্রত্যাশা’ বইটি বাজারে এসেছে সম্প্রতি। লেখক ২০০৭ সাল থেকে ইত্তেফাকসহ দেশের শীর্ষস্থানীয় কাগজগুলোতে নিয়মিত লিখে চলেছেন। বইটি শুরু হয়েছে ‘আধুনিক ইউরোপে সিরাত চর্চা’ প্রবন্ধ দিয়ে। শুরুর দিকে ইউরোপের সিরাত লেখকরা না জেনেই নবিচরিত্রের বিরুদ্ধে আঙুল তুলেছিলেন। পরবর্তী সময়ে আরেক দল সিরাতবিদ এসে তাদের প্রতিবাদ করেন। এখন ইউরোপের সিরাত সাহিত্য বেশ সমৃদ্ধ। নবিজি (সা) কীভাবে বাজার নিয়ন্ত্রণ করতেন—এ বিষয়ে সংক্ষেপে সুন্দর একটি প্রবন্ধ রয়েছে। ‘কোরআনে পিঁপড়ের কথা’ নামে একটি বিজ্ঞানভিত্তিক প্রবন্ধে লেখক দেখিয়েছেন, সোলাইমান নবি এবং পিঁপড়ের মধ্যে কথোপকথনের ঘটনা কোনো কল্পকাহিনি বা রূপকথার গল্প নয়। ‘আল্লাহর সৃষ্টি আদম ও মানুষের তৈরি রোবট’ প্রবন্ধে লেখক প্রমাণ করেছেন রোবট সোফিয়া প্রমাণ করে দিল, মানুষেরও একজন স্রষ্টা আছে, থাকতেই হবে। ‘নারীর সম্ভ্রম রক্ষায় ধর্মই একমাত্র রক্ষাকবচ’—এ বিষয়েও বাস্তবধর্মী একটি প্রবন্ধ রয়েছে বইটিতে।
এ ছাড়াও বইটির উল্লেখযোগ্য কয়েকটি প্রবন্ধের শিরোনাম হলো—রজব থেকেই রমজানের প্রস্তুতি, জীবন রাঙাতে আসছে রমজান, দেশে দেশে রমজান, সেহরি খাওয়ার সময় শেষ, হজের নৈতিক ও আধ্যাত্মিক শিক্ষা, ইজতেমার নয়া বয়ান, দাওয়াত হোক নেতানেত্রীদের কাছে, আজানের সুর বাজে না রাখাইনে, নাফ নদীর তীরে মহররমের চাঁদ, আল মাহমুদের কবিতায় ইসলামের জয়গান, মাদ্রাসায় বাংলা সাহিত্য, মাতৃভাষায় কলম ধরার আর কত দেরি পাঞ্জেরি, ধর্মের খোঁজে বইমেলায়, হিজরি সনের সঙ্গে বাংলা বর্ষের সম্পর্ক, হে প্রভু! সময়ের শাস্তি থেকে আমাদের বাঁচান, সুখে থাকুন সুখে রাখুন এবং আমি ভালো আছি তুমিও ভালো থেকো বন্ধু। বইটি প্রকাশিত হয়েছে কওমি লাইব্রেরি থেকে। মূল্য ১৬০ টাকা। বইটি রকমারি ডটকমসহ দেশের অভিজাত সব লাইব্রেরি থেকে সংগ্রহ করা যাবে।
—আহনাফ আবদুল কাদির
