মোগল আমলে নির্মিত। শেরপুর জেলার ঝিনাইগাতি উপজেলার ঘাঘড়া লস্কর গ্রামে এর অবস্থান। ধারণা করা হয় বক্সার বিদ্রোহী নেতা হিরঙ্গী খানের সময়ে মসজিদটি নির্মাণ করা হয়েছিল। আজিমোল্লাহ খান মসজিদটি প্রতিষ্ঠা করেন বলেও ধারণা করা হয়। মসজিদের গম্বুজটির দৈর্ঘ্য ও প্রস্থ ৩০ ফুট। গম্বুজ ঘিরে চারপাশে রয়েছে ছোট-বড় দশটি মিনার। মসজিদের উত্তর এবং দক্ষিণ পাশে রয়েছে দুটি জানালা। ভিতরে রয়েছে সুদৃঢ় দুটি খিলান। পূর্বদিকে আছে একটি দরজা। ভিতরে মেহরাব ও দেয়ালে বিভিন্ন রঙের ও কারুকার্য করা ফুল ও ফুলদানি আঁকা। চার ফুট প্রশস্ত দেয়াল গাঁথা হয়েছে চুন ও সুরকি দিয়ে। মোট ৫৮ শতাংশ জমির ওপর মসজিদ। মূল ভবন ও বারান্দা ১৭ শতাংশ এবং বাকি ৪১ শতাংশ জায়গায় কবরস্থান। এই মসজিদের নির্মাণ কৌশলে গ্রিক ও কোরিন থিয়ান রীতির প্রতিফলন লক্ষ করা যায়। এটি বাংলাদেশ প্রত্নতত্ত্ব অধিদপ্তরের তালিকাভুক্ত প্রত্নতাত্ত্বিক স্থাপনা। ১৯৯৯ সালে এর রক্ষণাবেক্ষণের দায়িত্ব নেয় প্রত্নতত্ত্ব অধিদপ্তর। মসজিদটি পুরাকীর্তির এক অনন্য নিদর্শন।
নূরে আলম সিদ্দিকী শান্ত
