দেশীয় শিল্প ও বিনিয়োগ- সহায়ক পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে

আপডেট : ১১ জুন ২০২১, ২১:০৬

প্রকৌশলী গোলাম মুর্শেদ

সভাপতি, বাংলাদেশ ইলেকট্রিক্যাল, ইলেকট্রনিকস অ্যান্ড হোম

অ্যাপ্লায়েন্স ম্যানুফ্যাকচারার্স অ্যান্ড এক্সপোর্টার্স অ্যাসোসিয়েশন

উন্নত দেশের স্বপ্ন এখন বাংলাদেশের। সেই লক্ষ্য পূরণ করতে বিনিয়োগ বৃদ্ধির বিকল্প নেই। তাই প্রস্তাবিত বাজেটে বিনিয়োগ সহায়ক পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে। বিশেষত দেশীয় শিল্প রক্ষায় নানা পদক্ষেপ রয়েছে। ভ্যাট অব্যাহতি সুবিধা, অগ্রিম আয়কর কমিয়ে আনাসহ নানা পদক্ষেপ ইতিবাচক হয়েছে। বাজেট বাস্তবায়ন করা গেলে কর্মসংস্থান হবে।

কারণ, বাংলাদেশকে আরো এগিয়ে যেতে হলে এই মুহূর্তে অন্তর্ভুক্তিমূলক প্রবৃদ্ধি অর্জন দরকার। কর্মসংস্থান ও উত্পাদন কর্মকাণ্ড বৃদ্ধি, অর্থনৈতিক সুশাসন, কার্যকর নগর ব্যবস্থাপনারও প্রয়োজনীয়তা রয়েছে। জলবায়ু পরিবর্তনজনিত কারণে অভিযোজন ক্ষমতা বাড়াতে হবে।

বাংলাদেশের সুবিধা যে, ধারাবাহিকভাবেই বাংলাদেশ ভালো প্রবৃদ্ধি অর্জন করে আসছে। প্রবৃদ্ধির হার দুই অঙ্কে নিয়ে যাওয়া এখন লক্ষ্য। করোনার কারণে যদিও প্রস্তাবিত বাজেটে ৭ দশমিক ২ শতাংশ প্রবৃদ্ধির লক্ষ্য ধরা হয়েছে।

প্রবৃদ্ধি বাড়াতে হলে বিনিয়োগ বাড়াতে হবে। অর্জনগুলোর ধারাবাহিকতা থাকতে হবে। বাংলাদেশের জন্য একটি অপূর্ব সুযোগ যে, প্রচুর কর্মী রয়েছে। কিন্তু প্রশিক্ষিত ও দক্ষ কর্মী গড়ে তুলতে পারলে অর্থনীতিতে তার অবদান কয়েক গুণ বেশি হবে। জনশক্তি ও সেবা খাতের সুবিধা নিয়ে বাংলাদেশ বড় রফতানিকারক দেশ হতে পারে।

সাক্ষাত্কার : জামাল উদ্দীন