পররাষ্ট্রমন্ত্রী ড. এ কে আব্দুল মোমেন জানিয়েছেন, কোভ্যাক্স উদ্যোগের আওতায় অ্যাস্ট্রাজেনেকার ১০ লাখ ৮০০ ডোজ টিকা পাচ্ছে বাংলাদেশ। গতকাল শুক্রবার তিনি এ তথ্য জানান। তবে কবে নাগাদ এই টিকা বাংলাদেশে আসবে সে বিষয়ে তিনি কিছু বলেননি। এই টিকা এলে বাংলাদেশে করোনা ভাইরাসের টিকার প্রথম ডোজ নিয়ে যাদের দ্বিতীয় ডোজ দেওয়া যাচ্ছে না, তাদের সমস্যার সমাধান হবে বলে আশা করা হচ্ছে।
প্রসঙ্গত, বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার নেতৃত্বে গ্লোবাল অ্যালায়েন্স ফর ভ্যাকসিনস অ্যান্ড ইমিউনাইজেশনস বা গ্যাভি এবং কোয়ালিশন ফর এপিডেমিক প্রিপেয়ার্ডনেস ইনোভেশনসের গড়া প্ল্যাটফরম হলো কোভ্যাক্স। এটি গঠন করা হয়েছিল যাতে করে বিশ্বের সব মানুষের সংক্রামক রোগের প্রতিষেধক পাওয়া নিশ্চিত করা যায়। প্রাথমিক পরিকল্পনায় কোভ্যাক্স চলতি বছরের প্রথমার্ধে অন্তত ৩৩ কোটি ডোজ টিকা বিতরণ করার কথা বলেছিল, যার বড় অংশই অক্সফোর্ড-অ্যাস্ট্রাজেনেকার টিকা। বিভিন্ন দেশে টিকা বণ্টনের যে তালিকা কোভ্যাক্স প্রকাশ করেছিল, তাতে জুনের শেষনাগাদ বাংলাদেশ ১ কোটি ২৭ লাখ ৯২ হাজার ডোজ কোভিড-১৯ টিকা পাওয়ার কথা ছিল। কিন্তু কোভ্যাক্সের এই টিকার বড় অংশ আবার ভারতের সিরাম ইনস্টিটিউট থেকে সংগ্রহ করার কথা থাকলেও ভারত সরকার টিকা রপ্তানিতে নিষেধাজ্ঞা দেওয়ায় কোভ্যাক্সও সময়মতো টিকা সংগ্রহ করতে পারেনি বলে সামগ্রিক টিকা পরিকল্পনায় ব্যাপক পরিবর্তন এসেছে।
এদিকে আগামী রবিবার চীন থেকে দ্বিতীয় দফায় ৬ লাখ টিকা পাচ্ছে বাংলাদেশ। গতকাল বাংলাদেশে নিযুক্ত চীনা উপরাষ্ট্রদূত হুয়ালং ইয়ান সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ফেসবুকে এক পোস্টে জানান, চীনের উপহারের ৬ লাখ ডোজ টিকা বেইজিং এয়ারপোর্ট থেকে বাংলাদেশের উদ্দেশে রওনা হয়েছে। ১৩ জুন তা বাংলাদেশে পৌঁছবে। চীনের প্রথম দফা উপহারের মতো এটাও সিনোফার্মের ভ্যাকসিন। চীনের দেওয়া উপহারের প্রথম দফার ৫ লাখ ডোজ করোনা ভাইরাস প্রতিরোধী টিকা ১২ মে ঢাকায় আসে।
