বাংলাদেশের ওয়ার্কার্স পার্টির কেন্দ্রীয় কমিটির সভায় বলা হয়েছে, ভ্যাকসিন সংগ্রহে মাত্র একটি উেস নির্ভরতা, একক ব্যক্তির স্বার্থ রক্ষায় অন্য উত্স থেকে ভ্যাকসিন আনায় বাধা প্রদান এবং ভ্যাকসিন নিয়ে রাজনীতি ও কূটনীতি সরকারের প্রাথমিক সাফল্যকে ম্লান করে দেয়নি কেবল, জনগণের জীবন ও জীবিকাকেও ঝুঁকিতে ফেলেছে। ওয়ার্কার্স পার্টির কেন্দ্রীয় কমিটির তিন দিনব্যাপী ভার্চুয়াল সভার গতকাল শুক্রবার প্রথম দিনে উত্থাপিত প্রস্তাবে একথা বলা হয়। সভায় সভাপতিত্ব করেন ওয়ার্কার্স পার্টির সভাপতি রাশেদ খান মেনন।
সভায় প্রস্তাবে বলা হয়, করোনা প্রতিরোধে অবিলম্বে জনগণের সব অংশকে আগামী তিন মাসের মধ্যে ভ্যাকসিন প্রদান করতে হবে। কারণ করোনার সংক্রমণ রোধে এই মুহূর্তে ভ্যাকসিনই হচ্ছে প্রধান বিকল্প। মাস্ক পরাসহ স্বাস্থ্যবিধি প্রতিপালনে অন্য অনুসঙ্গগুলো প্রতিপালন একই সঙ্গে জরুরি। কিন্তু দুর্ভাগ্যক্রমে দেখা যাচ্ছে বাংলাদেশ প্রথমেই ভ্যাকসিন এনে গণটিকা কার্যক্রম শুরু করতে পারলেও এখন ভ্যাকসিন আনা সম্পূর্ণ অনিশ্চিত হয়ে পড়েছে। সরকারি মহল থেকে এ বিষয়ে বিভিন্ন সময়ে নানা আশাবাদ ব্যক্ত করা হলেও বাস্তবে তা দেখা যাচ্ছে না।
সভায় পার্টির সাধারণ সম্পাদক ফজলে হোসেন বাদশা করোনা অতিমারি মোকাবিলায় জীবন ও জীবিকা রক্ষায় জনগণের পাশে দাঁড়াতে ১৮ দফা নির্দেশনা কর্মসূচি উপস্থাপন করেন।
সভার শুরুতে কেন্দ্রীয় কমিটি শোক প্রস্তাব গ্রহণ করে। বীর মুক্তিযোদ্ধা মীর দেলোয়ার হোসেন, গোলাম রাব্বানী মুকুল, মকবুল হোসেন, পরিতোষ ঘোষ, আব্দুল বাতেন, বীর মুক্তিযোদ্ধা মোর্শেদ আলী, অ্যাড. আব্দুল মতিন খসরু, সৈয়দ আবুল মকসুদ, খোন্দকার ইব্রাহিম খালিদ, মিতা হক, অধ্যাপক শামসুজ্জামান খান, সারাহ বেগম কবরী, এ টি এম শামসুজ্জামান, হাবীবুল্লাহ সিরাজী প্রমুখের মৃত্যুতে শোক প্রস্তাব আনা হয় সভায়।
