বিদ্বেষমূলক অপরাধের বিরুদ্ধে আওয়াজ তোলার পাশাপাশি অনেকের হাতে থাকা প্ল্যাকার্ডে লেখা ছিল, এখানে বিদ্বেষের কোনো ঠাঁই নেই, ঘৃণার বদলে ভালোবাসা
আলজাজিরা
কানাডায় এক মুসলিম পরিবারের চার সদস্যকে গাড়ি চাপা দিয়ে হত্যার ঘটনায় পরিবারটির প্রতি সহমর্মিতা জানিয়ে পদযাত্রায় অংশ নিয়েছে কয়েক হাজার মানুষ। গত ৬ জুন দেশটির অন্টারিও প্রদেশের লন্ডন শহরে ঐ ট্রাক হামলার ঘটনা ঘটে। পুলিশ জানিয়েছে, ইসলামবিদ্বেষ থেকেই পূর্বপরিকল্পিতভাবে পরিবারটির সদস্যদের ওপর এ হামলা চালানো হয়েছে। এর প্রতিবাদে শুক্রবার ঐ পরিবারটির পাশে থাকার বার্তা দিয়ে অন্টারিও প্রদেশের লন্ডন শহরের রাজপথে নেমে আসে কানাডীয়রা।
শুক্রবার লন্ডন শহরে আয়োজিত এই পদযাত্রা প্রায় সাত কিলোমিটার এলাকা পর্যন্ত ছাড়িয়ে যায়। এতে অংশ নেওয়া হাজার হাজার মানুষ বিদ্বেষমূলক অপরাধের বিরুদ্ধে আওয়াজ তোলেন। অনেকের হাতে থাকা প্ল্যাকার্ডে লেখা ছিল, এখানে বিদ্বেষের কোনো ঠাঁই নেই, ঘৃণার বদলে ভালোবাসা ইত্যাদি। এদিন দেশটির অন্য শহরেও ঐ পরিবারটির প্রতি সহমর্মিতা জানিয়ে পদযাত্রা অনুষ্ঠিত হয়েছে। তবে সবচেয়ে বড় আয়োজনটি ছিল ঘটনাস্থল লন্ডন শহরে, সেখানেই গত রবিবার ঐ ট্রাক হামলার ঘটনা ঘটিয়েছিল এক তরুণ। সেখানকার কর্মসূচিতে অংশ নেওয়া ব্যক্তিদের একজন ১৯ বছরের কলেজশিক্ষার্থী আব্দুল্লাহ আল জারাদ।
বিশাল এই পদযাত্রা সম্পর্কে তিনি বলেন, বিপুলসংখ্যক মানুষ এখানে উপস্থিত হয়েছে। তবে এটিই সবচেয়ে ভালো দিক নয়। বরং এখানে লন্ডনের প্রতিটি সম্প্রদায়ের মানুষ সমবেত হয়েছে। তাদের সবার উদ্দেশ্য এক।
এর আগে কানাডার প্রধানমন্ত্রী জাস্টিন ট্রুডোসহ দেশটির রাজনীতিকরা লন্ডন শহরের ঐ ট্রাক হামলার নিন্দা জানান। জাস্টিন ট্রুডো এই হামলাকে বিদ্বেষ থেকে পরিচালিত সন্ত্রাসী হামলা হিসেবে আখ্যায়িত করেছেন। তিনি বলেন, ‘এটি ছিল একটি সন্ত্রাসী হামলা, বিদ্বেষের বশবর্তী হয়ে আমাদের জনগোষ্ঠীর বুকে এই হামলা চালানো হয়েছে। ’
