খানাখন্দে পানি জমে যাতায়াতে দুর্ভোগ

আপডেট : ১৩ জুন ২০২১, ২০:৫৪

বাঙ্গড্ডা-বক্সগঞ্জ সড়ক

মজিবুর রহমান মোল্লা, নাঙ্গলকোট (কুমিল্লা) সংবাদদাতা

নাঙ্গলকোটের বাঙ্গড্ডা-মাহিনী-হাসানপুর-বক্সগঞ্জ সড়ক খানাখন্দে ভরে বেহাল হয়ে পড়েছে। সামান্য বৃষ্টি হলেই সড়কে পানি জমে থাকায় যান চলাচল বিঘ্নিত হচ্ছে। যাতায়াতে চরম দুর্ভোগ পোহাতে হচ্ছে উপজেলার পূর্ব-দক্ষিণাঞ্চলের মানুষকে। সড়ক ও জনপথ বিভাগের (সওজ) ২১ কিলোমিটার দীর্ঘ সড়কটির বাঙ্গড্ডা থেকে মাহিনী পর্যন্ত এলাকাটি সবচেয়ে খারাপ অবস্থায় রয়েছে। প্রতিনিয়ত গর্তে পড়ে গাড়ি উলটে যাত্রী এবং চালক আহত হচ্ছেন। সড়কের শুভপুর গ্রাম থেকে বক্সগঞ্জ বাজার পর্যন্ত প্রায় তিন কিলোমিটার এলাকার অবস্থাও খুব খারাপ।

সরজমিনে সড়ক ঘুরে দেখা যায়, সড়কটির বাঙ্গড্ডা পূর্ব বাজার, রায়কোট, মাহিনী তালতলা, মাহিনী বাজার, ঝাটিয়াপাড়া বাজার, তুলাতুলি বাজার, মৌকারা চৌরাস্তা, দক্ষিণপাড়া, আলিয়ারা উত্তরপাড়া, মধ্যপাড়া, ঢালুয়া বাজার, আজিয়ারা, শুভপুর নামক স্থানে বড় বড় খানাখন্দ। খানাখন্দে আটকে যাওয়া যাত্রীবাহী বাস, মাইক্রোবাস, সিএনজিচালিত অটোরিকশা এবং মালবাহী ট্রাক-ট্রাক্টর ও পিকআপ ভ্যানকে ধাক্কা দিয়ে পার করতে হয়। অনেক সময় গাড়ি বিকল হয়ে পড়ে থাকতে দেখা যায়। সড়কটি দিয়ে রোগীদের হাসপাতালে নিতে গিয়ে বিপাকে পড়তে হয়। বাঙ্গড্ডা বাজারের ব্যবসায়ী একরামুল হক বলেন, ‘সড়কটির প্রবেশমুখ বাঙ্গড্ডা পূর্ব বাজার বটতলায় সবচেয়ে বেহাল দশা বিরাজ করছে। বড় বড় খানাখন্দে পানি জমে যাতায়াতের অনুপযোগী হয়ে পড়েছে। সড়কটিতে ড্রেনেজ ব্যবস্থা নেই।’ বাঙ্গড্ডা-হাসানপুর সড়কে যাতায়াতকারী সিএনজিচালিত অটোরিকশাচালক রাজন হোসেন মিয়াজী বলেন, ‘গত দুই বছর থেকে সড়কটির বেহাল দশায় ঝুঁকি নিয়ে যাতায়াত করতে হচ্ছে। ছোটবড় অসংখ্য খানাখন্দের কারণে যাত্রীরা গাড়িতে উঠতে চায় না। কয়েক দিন পরপর গাড়ি নষ্ট হচ্ছে।’

শাহ আলী সুপার সার্ভিসের ড্রাইভার ইমান হোসেন বলেন, ‘সড়কটির বাঙ্গড্ডা থেকে হাসানপুর পর্যন্ত বেহাল দশায় যাত্রী পরিবহনে দুর্ভোগ পোহাতে হচ্ছে। প্রায়ই খানাখন্দে পড়ে গাড়ি নষ্ট হচ্ছে। সড়কটির বেহাল দশায় যাত্রীরা গাড়িতে উঠতে চান না। আমাদের প্রতিনিয়ত লোকসান গুনতে হচ্ছে।’

সড়ক ও জনপথ বিভাগের (লাকসাম শাখা) উপ-সহকারী প্রকৌশলী আজিম উদ্দিন বলেন, ‘সড়কটি পরিদর্শন করে জেলা নির্বাহী প্রকৌশলীকে বেহাল দশার বিষয়টি জানানো হয়েছে। আগামী জুলাই-আগস্টে সড়ক মেরামতের জন্য প্রাক্কলন ব্যয় তৈরি করে উদ্যোগ নেওয়া হবে।’