আইসক্রিম পার্লারে
প্রেমিকা :কী ব্যাপার, আইসক্রিম হাতে নিচ্ছ না কেন?
প্রেমিক :তুমিই দুটো আইসক্রিম হাতে নাও।
প্রেমিকা :কেন? তোমার হাতে কী হয়েছে?
প্রেমিক :তোমাকে পেলে মনে হয়, হাত দুটো আর হাত নেই। ওগুলো পাখির ডানা হয়ে গেছে।
প্রেমিকা :ধ্যাত, কী যে বলো?
প্রেমিক :সত্যি। মনে হচ্ছে এখুনি উড়াল দিই।
ওয়েটার :স্যার, যদি কিছু মনে না করেন, আইসক্রিমের দামটা দিয়ে যদি উড়াল দিতেন।
ফুড কর্নারে
প্রেমিক-প্রেমিকা হাত ধরে হাঁটতে হাঁটতে এক সময় পরিশ্রান্ত হয়ে ঢুকল বাণিজ্যমেলায় এক খাবারের স্টলে। খাবারের অর্ডার দিয়ে এক টেবিলে বসে—
প্রেমিক :ইচ্ছে করে সব সময় তোমার হাত ধরে বসে থাকি।
প্রেমিকা :আমারো গো, এক মুহূর্তের জন্য তোমার হাত ছাড়তে ইচ্ছা করে না। ইচ্ছে করে তোমার দুই হাত, সারাজীবন এভাবে ধরেই বসে থাকি।
প্রেমিক :তাহলে খাবার খাব কী করে?
প্রেমিকা :জানি না।
প্রেমিক :এভাবে কতক্ষণ বসে থাকবে?
প্রেমিকা :জানি না।
ওয়েটার :আপা, কিছু মনে করবেন না, মেলায় তো প্রচণ্ড ভিড়। এরকম ক্ষেত্রে আমরা পার্সেলের ব্যবস্থা রেখেছি। যখন জানবেন, চলে আসবেন। এখন যদি টেবিলটা ছাড়তেন। যাদের হাত ফ্রি, তারা খেয়ে নিতেন।
ব্লেজারের দোকানে
প্রেমিক :ব্লেজারটায় আমাকে কেমন লাগছে বলো তো?
প্রেমিকা :রাজার মতো।
প্রেমিক :সত্যি বলছ তো।
প্রেমিকা :নিশ্চয়ই।
প্রেমিক :তাহলে, এটা নিই। কী বলো?
প্রেমিকা :অবশ্যই।
প্রেমিক :দোকানদার ভাই, আপনি বলেন তো কেমন লাগছে?
দোকানদার :স্যার, ম্যাডামের চয়েজ আছে। এটা পড়ার পর আপনাকে আসলেই রাজার মতো লাগছে।
প্রেমিক :আপনিও বলেছেন?
দোকানদার :অবশ্যই।
প্রেমিক :দুজনেই যখন বলছেন, এটা নিলাম তাহলে।
প্রেমিকা :কী ব্যাপার, এটা পড়ে রওনা দিলে যে?
দোকানদার :স্যার, দামটা?
প্রেমিক :খামোশ, ‘রাজা’ নিজে কখনো দাম দেয়?
জুয়েলারির দোকানে
প্রেমিক :বাহ্, হাতে, গলায় আর কানের এই সেটটা তো তোমাকে বেশ মানিয়েছে। পরীর মতো দেখাচ্ছে।
প্রেমিকা :সত্যি বলছ তো?
প্রেমিক :মিথ্যে বলব কেন? একেবারে পরী।
প্রেমিকা :তাহলে এবার দামটা দিয়ে দাও।
প্রেমিক :কেন?
প্রেমিকা :বা রে, আমি পরী না? পরীর কাছে কখনো টাকাপয়সা থাকে? টাকাপয়সা তো থাকে মানুষের কাছে।
