ভাঙ্গায় দুই দল গ্রামবাসীর মধ্যে সংঘর্ষে আহত ৩০

আপডেট : ১৪ জুন ২০২১, ২১:৫৭

ভাঙ্গা উপজেলার মানিকদাহ ইউনিয়নের খাকান্দা নাজিরপুর গ্রামে গতকাল সোমবার সকালে দুইদল গ্রামবাসীর মধ্যে সংঘর্ষে ৩০ জন আহত হয়েছেন। এ সময় ২০টি বসতঘর ও বেশ কয়েকটি দোকানপাট ভাঙচুর করে মালামাল লুটপাটের অভিযোগ উঠেছে। সংঘর্ষের ঘটনায় পুলিশ ১৩ জনকে আটক করেছে।

সংঘর্ষে গুরুতর আহতরা হলেন জাহিদ মীর, লালচান, আসাদ শরীফ, নুরআলম সেখ, ইউসুফ সেখ, ওসমান মৃধা, রুমি সর্দার, স্বপন তালুকদার, জামাল মোল্লা, ছরোয়ার ব্যাপারী, বাচ্চু মুন্সি, নিজাম সেখ, জাহিদ সেখ, সুলতান মাতুব্বর, তৈয়াব কারিকর, মনি মিয়া ও খায়রুল মিয়া। আহতদের স্থানীয়রা উদ্ধার করে ভাঙ্গা, সদরপুর ও ফরিদপুর মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করেছে।

জানা গেছে, সাবেক ব্যাংকার আবুল কালাম মোল্লা ও একই এলাকার সুলতান মাতুব্বর, এয়াকুব মিয়া ও করিম মাতুব্বরের মধ্যে আধিপত্য বিস্তারকে কেন্দ্র করে বেশ কিছুদিন যাবত্ দ্বন্দ্ব ছিল। আবুল কালাম মোল্লা বলেন, আমার ভাতিজা অনিক মোল্লাকে রবিবার বিকালে পুখুরিয়া বাজার হতে বিপক্ষ গ্রুপের শুভ ছুরিকাঘাত করে। তাকে হাসপাতালে ভর্তি করে তার পিতা হারুন মোল্লা ভাঙ্গা থানায় একটি মামলা দায়ের করেন। মামলা করায় সুলতান মাতুব্বরের লোকজন দেশীয় অস্ত্র নিয়ে অতর্কিত হামলা চালিয়ে আমাদের বসতঘর ও দোকানঘরে ভাঙচুর করে মালামাল লুটে নেয়। আমাদের লোকজন বাধা দিলে সংঘর্ষের সৃষ্টি হয়। বিষয়টি নিয়ে সুলতান মাতুব্বর, এয়াকুব মিয়া ও করিম মাতুব্বরের সঙ্গে যোগাযোগের চেষ্টা করলে তারা এলাকা থেকে সটকে পড়েন।

থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা সৈয়দ লুত্ফর রহমান বলেন, এলাকার আধিপত্যকে কেন্দ্র করে সকালে দুইদল গ্রামবাসী দেশীয় অস্ত্র নিয়ে রক্তক্ষয়ী সংঘর্ষে লিপ্ত হয়। খবর পেয়ে ভাঙ্গা ও সদরপুর থানার পুলিশ দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছে লাঠিচার্জ করে গ্রামবাসীকে ছত্রভঙ্গ করে। ঘটনাস্থল থেকে ১৩ জনকে আটক করা হয়েছে। গ্রামে পুলিশ মোতায়েন করা হয়েছে।