অর্থমন্ত্রী আ হ ম মুস্তফা কামাল সংসদকে জানিয়েছেন, দেশে কোভিডের প্রাদুর্ভাবের সঙ্গে সঙ্গেই প্রধানমন্ত্রীর নেতৃত্ব, দূরদর্শিতা ও নিরলস কর্মতত্পরতায় বাংলাদেশের সার্বিক অর্থনৈতিক পরিস্থিতি তেমন বিপর্যয়ের মধ্যে পড়েনি। বরং বাংলাদেশ কোভিড-১৯ মহামারির অর্থনৈতিক প্রভাব মোকাবিলায় বিশ্বে সাফল্যের এক অনন্য নজির স্থাপন করেছে। গতকাল সোমবার সংসদে টেবিলে উপস্থাপিত প্রশ্নোত্তরে বগুড়া-৬ আসনের বিএনপি দলীয় এমপি গোলাম মোহাম্মদ সিরাজের এক প্রশ্নের জবাবে তিনি একথা জানান।
একই প্রশ্নের জবাবে অর্থমন্ত্রী জানান, বিগত এক দশকের ক্রমাগত উচ্চ জিডিপি প্রবৃদ্ধি অর্জন কোভিড-১৯-এর প্রভাবে সাময়িক বাধাগ্রস্ত হয়েছে। গত ২০১৮-১৯ অর্থবছরে রেকর্ড ৮ দশমিক ১৫ শতাংশ প্রবৃদ্ধি হলেও ২০১৯-২০ অর্থবছরে করোনা ভাইরাসের কারণে তা কমে ৫ দশমিক ২ শতাংশে দাঁড়ায়।
চট্টগ্রাম-১১ আসনের সরকারদলীয় এমপি এম আবদুল লতিফের প্রশ্নের জবাবে অর্থমন্ত্রী জানান, গত ছয় বছরে পুঁজিবাজারে প্রাথমিক গণপ্রস্তাব (আইপিও) ছেড়ে ৬৮টি কোম্পানি ও প্রতিষ্ঠান মোট ৪ হাজার ৮৩১ কোটি টাকার মূলধন সংগ্রহ করেছে।
আ হ ম মুস্তফা কামাল জানান, ২০১৪-১৫ অর্থবছর থেকে চলতি অর্থবছরের ৩ জুন পর্যন্ত ৬৮টি কোম্পানিকে আইপিও ছেড়ে পুঁজিবাজার থেকে ৪ হাজার ৮৩১ কোটি টাকা এবং একটি কোম্পানিকে কোয়ালিফাইড ইনভেস্টর অফারের মাধ্যমে সাড়ে সাত কোটি টাকার মূলধন তোলার চূড়ান্ত অনুমোদন দেওয়া হয়েছে। এছাড়াও পাঁচটি কোম্পানির আইপিও ও চারটি কোম্পানির কোয়ালিফাইড ইনভেস্টর অফারের আবেদন অনুমোদনের অপেক্ষায় রয়েছে।
