কিশোরগঞ্জে নদী খননের বালু লুট!

আপডেট : ১৫ জুন ২০২১, ২১:১৭

কিশোরগঞ্জ (নীলফামারী) সংবাদদাতা

কিশোরগঞ্জে চাড়ালকাটা নদী পুনর্খননের স্তূপকৃত বালু ট্রাকে করে অন্যত্র নিয়ে যাওয়া হচ্ছে। ইজারা ছাড়াই নদীর তীর সংলগ্ন ৮৫ স্থান থেকে অবৈধভাবে দশচাকার জ্যাম ট্রাক এবং মাহিন্দ্র ট্রাক্টরে করে এসব বালু লুট করছে স্থানীয় একটি সিন্ডিকেট। বালুবোঝাই দশ চাকার ট্রাক এবং মাহিন্দ্র ট্রাক্টর সড়ক দিয়ে চলার কারণে নষ্ট হচ্ছে গ্রামীণ সড়কগুলো।

গত সোমবার সরেজমিনে গিয়ে এ অবস্থা দেখা যায়। নিতাই ইউনিয়নের বাসিন্দা এজাজুল মিয়া আলতাফ হোসেন, রফিকুল মিয়া জানান, কালুরঘাট ব্রিজের দুই দিকে এবং নিতাই বাড়ি মধুপুর স্কুলের মাঠে চার থেকে পাঁচটি বালুর স্তূপ ছিল। বালু ব্যবসায়ীরা সমস্ত বালু লুট করে নিয়ে গেছে। পুটিমারী ইউনিয়নের শালটিবাড়ি গ্রামের বাসিন্দা রেয়াজুল, ছকমাল হোসেন, আবুল হোসেন বলেন, শালটিবাড়ি কালিকাপুর এবং পুর্ব কালিকাপুরের ১০ থেকে ১৫টি স্তূপ শেষ হয়ে গেছে। 

এ বিষয়ে সৈয়দপুর পানি উন্নয়ন বোর্ডের উপবিভাগীয় প্রকৌশলী মোফাখারুল ইসলাম বলেন, গত ২০২০ সালের ৬ অক্টোবর নীলফামারী পানি সম্পদ উন্নয়ন ও ব্যাবস্থাপনা কমিটির সভার সিদ্ধান্ত মোতাবেক বালু নিলামের জন্য পত্রিকায় বিজ্ঞপ্তি দেওয়া হয়েছিল। এর বেশি আমাদের করার কী আছে। আমরা তো বালু ব্যবসায়ীদের বিরুদ্ধে ভ্রাম্যমান আদালত পরিচালনা করতে পারি না। এটা উপজেলা প্রশাসনের ব্যাপার।

এ বিষয়ে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা রোকসানা বেগম বলেন, পত্রিকায় বিজ্ঞপ্তি প্রকাশের পর ছয়টি লট সরকার নির্ধারিত মূল্য অনুযায়ী নিলামের মাধ্যমে প্রায় ২৯ লাখ টাকায় ইজারা দেওয়া হয়েছে। বাকিগুলো ইজারা দেওয়ার চেষ্টা চলছে। ইজারা ছাড়াই দশচাকার জ্যাম ট্রাক এবং মাহিন্দ্র ট্রাক্টরে করে অবৈধভাবে বালু লুটের বিষয়ে জানতে চাইলে তিনি বলেন, সম্প্রতি আলমগীর হোসেন নামে এক বালু ব্যবসায়ী অবৈধভাবে সরকারি বালু লুট করার সময় আটক করে ৫০ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়েছে। রাতের বেলা বালু লুট করার বিষয়ে জানতে চাইলে তিনি বলেন, রাতের বেলা বালু লুট করলে আমাদের করার কিছু নেই।