আমাকে গণমাধ্যমে আসতে দেওয়া হয়না, পাকিস্তান সরকার চায় আমি কারাগারে থাকি। গতমাসে তারা আমার উপর অনুষ্ঠান সপ্রচারে নিষেধাজ্ঞা জারি করেছে, যা গত দুই দশক ধরে করে আসছি। সংবাদপত্রেও কোনো কলাম লেখার ওপর নিষেধাজ্ঞা জারি করা হয়েছে। কথাগুলো বলেছেন পাকিস্তানের বিখ্যাত সাংবাদিক হামিদ মীর। তার মতে, সাংবাদিকদের ওপর এরকম সেন্সরশীপ আরোপ করায় পাকিস্তানের দম বন্ধ হয়ে আসছে।
হামিদ মীর বলেন, ‘আমার অনুষ্ঠান সম্প্রচার ও কলাম ছাপানো বন্ধ করেও থামেনি সরকার। তারা আমার ওপর রাষ্ট্রদ্রোহের অভিযোগ এনেছে। যার সর্বোচ্চ শাস্তি যাবতজীবন কারাদণ্ড।’
অভিযোগটি এসেছে সাংবাদিক আসাদ তুরকে নির্যাতনের পর প্রতিবাদ জানানোর পর। গত মে মাসের ২৫ তারিখ, তুরের বাসায় অজ্ঞাত ৩ জন হামলা চালায়। তাকে বেধে রেখে চালানো হয় নির্যাতন। যখন তুর এই হামলার প্রতিবাদ জানালো তখন তার বিরুদ্ধে পাল্টা অভিযোগ এলো, খ্যাতি ও অন্যদেশে আশ্রয়ের জন্য হামলার মিথ্যে ঘটনা ঘটিয়েছেন তিনি।
পাকিস্তানের তথ্যমন্ত্রী ফাওয়াদ চৌধুরী এ প্রসঙ্গে বলেন, বিদেশে রাজনৈতিক আশ্রয় নেওয়ার জন্যই এই নাটক করছেন তুর।
ফাওয়াদ চৌধুরীর এমন মন্তব্যের পর পাকিস্তানের সাংবাদিক সমাজ ফুসে উঠেছে। তাদের সঙ্গে একমত পোষণ করেছেন হামিদ মীর। এই ঘটনা নিজের জীবনের সঙ্গে মিলে গেছে বলে তিনি জানান, আমাকে এখন পর্যন্ত ৬ বার গুলি করা হয়েছে। কিন্তু সেসব হামলা নাকি আমি নিজ থেকে করিয়েছি এমন অভিযোগও করেছে অনেকে।
ইত্তেফাক/টিআর
