বিশেষজ্ঞ চিকিত্সকের অভাবে সেবা বিঘ্নিত

আপডেট : ১৮ জুন ২০২১, ২১:২০

ঈশ্বরদী (পাবনা) সংবাদদাতা

ঈশ্বরদী উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে জনবল সংকট, প্রয়োজনীয় যন্ত্রপাতি ও বিশেষজ্ঞ চিকিত্সক না থাকায় সেবা ব্যাহত হচ্ছে। এখানে আসা রোগীরা চিকিত্সা না পেয়ে অন্যত্র চলে যাচ্ছে। ফলে দুর্ভোগে পড়তে হচ্ছে তাদের।

উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স সূত্রে জানা যায়, ২০১১ সালে ৫০ শয্যায় উন্নীত হয়েছে স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সটি। ৫০ শয্যার মধ্যে ৩টি কেবিনসহ ১৬ বেড করোনা রোগীদের জন্য আইসোলেশন সেন্টার করা হয়েছে। নেই কোনো বিশেষজ্ঞ বা কনসালট্যান্ট। মোট ১৬৯ জন জনবলের মধ্যে রয়েছে ১০৮ জন। ২৭ জন ডাক্তারের কথা থাকলেও আছেন মাত্র ১১ জন। ৯ জন ডাক্তার রোটেশন করে দায়িত্ব পালন করেন। আর এদের বেশির ভাগই জুনিয়র। ৯ জন বিশেষজ্ঞ কনসালট্যান্টের পদ থাকলেও এক জনও নেই। ল্যাব টেকনিশিয়ান, কম্পাউন্ডার, কার্ডিওগ্রাফার, ল্যাব অ্যাটেনটেন্ড, ওটি বয়সহ অনেকগুলো পদ শূন্য। হাসপাতালে এক্সরে, ইসিজি ও আলট্রাসনোগ্রাম হয় না।

ঈশ্বরদী শিল্প ও বণিক সমিতির সভাপতি শফিকুল ইসলাম বাচ্চু বলেন, দালাল ও প্রাইভেট অ্যামু্বলেন্সের চালকরা সবসময় ভিড় করে থাকে। হাসপাতালে যন্ত্রপাতি দিয়ে পরীক্ষা-নিরীক্ষা হয় না। যে কারণে ৫০ শয্যার বাস্তবায়ন নেই।

উপজেলা স্বাস্থ্য কর্মকর্তা ডা. এফ এ আসমা খান জনবলসংকট, বিশেষজ্ঞ ডাক্তার ও টেকনিশিয়ান না থাকার বিষয়টি নিশ্চিত করে জানান, ইসিজি ও আলট্রাসনোগ্রাম মেশিন এখন আছে। এক্সরে মেশিন এসেছে, কিন্তু এখনো খোলা হয়নি। পুরানো একটি অ্যাম্বুলেন্স আছে, তবে দূরে যেতে পারে না। ইতিপূর্বে জনগুরুত্বপূর্ণ বিবেচনা করে ঈশ্বরদীসহ দেশের ৮টি উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স ১০০ শয্যায় উন্নীতকরণের তালিকা হয়েছিল। কিন্তু পরে তালিকা থেকে ঈশ্বরদী কেটে অন্যত্র নেওয়া হয়েছে বলে জানতে পেরেছি।

এলাকার সংসদ সদস্য বীর মুক্তিযোদ্ধা নুরুজ্জামান বিশ্বাস বলেন, ‘ঈশ্বরদী স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে চিকিত্সাসেবা এবং সমস্যার বিষয় নিয়ে আলোচনা করব। এটিকে ১০০ শয্যায় উন্নিত করা উচিত।’