চার তরুণ লেখক পেলেন কালি ও কলম পুরস্কার

আপডেট : ১৯ জুন ২০২১, ০০:২০

আইএফআইসি ব্যাংক নিবেদিত ২০২০ সালের কালি ও কলম পুরস্কার তুলে দেওয়া হলো চার তরুণ লেখকের হাতে। গতকাল শুক্রবার আনন্দঘন ভার্চুয়াল অনুষ্ঠানের মাধ্যমে তাদের হাতে এ পুরস্কার তুলে দেওয়া হয়। তরুণ কথাশিল্পী ও কবিদের জন্য কাঙ্ক্ষিত এই পুরস্কার জয়ী চার লেখক হচ্ছেন মোজাফ্্ফর হোসেন, মাসুদ পারভেজ, ইজাজ আহমেদ মিলন ও রণজিত্ সরকার। সাহিত্যের চারটি শাখায় তারা এই পুরস্কারের জন্য নির্বাচিত হন। পুরস্কার দেওয়ার পাশাপাশি গানে কথায় প্রাণবন্ত এক অনুষ্ঠান উপভোগ করেন ভার্চুয়ালি অংশ নেওয়া দর্শকরা। যৌথভাবে অনুষ্ঠান সঞ্চালনা করেন বেঙ্গল ফাউন্ডেশনের মহাপরিচালক লুভা নাহিদ চৌধুরী ও অভিনয়শিল্পী ত্রপা মজুমদার।

কথাসাহিত্যে ‘তিমির যাত্রা’ গ্রন্থের জন্য পুরস্কার পেয়েছেন মোজাফ্ফর হোসেন। প্রবন্ধ-গবেষণা শাখায় ‘চলচ্চিত্রনামা’ গ্রন্থের জন্য পুরস্কৃত হয়েছেন মাসুদ পারভেজ। মুক্তিযুদ্ধবিষয়ক সাহিত্যে ‘১৯৭১ : বিধ্বস্ত বাড়িয়ায় শুধুই লাশ এবং’ গ্রন্থের পুরস্কার পেয়েছেন ইজাজ আহমেদ মিলন। শিশু-কিশোর সাহিত্যে ‘স্কুলে মুক্তিযুদ্ধ হয়েছিল’ শিরোনামের  গ্রন্থের জন্য পুরস্কৃত হয়েছেন রণজিত্ সরকার।

অনুষ্ঠানে অতিথি হিসেবে বক্তব্য দেন বিশিষ্ট কথাসাহিত্যিক ওয়াসি আহমেদ এবং পশ্চিমবঙ্গের রবীন্দ্রভারতী বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপক পবিত্র সরকার। আলোচনায় অংশ নেন আইএফআইসি ব্যাংকের ব্যবস্থাপনা পরিচালক ও প্রধান নির্বাহী শাহ এ সারওয়ার এবং কালি ও কলমের প্রকাশক আবুল খায়ের। অনলাইন আয়োজনে সংগীত পরিবেশন করেন রবীন্দ্রসংগীত শিল্পী অদিতি মহসিন। যৌথভাবে অনুষ্ঠান সঞ্চালনা করেন বেঙ্গল ফাউন্ডেশনের মহাপরিচালক  লুভা নাহিদ চৌধুরী ও অভিনয়শিল্পী ত্রপা মজুমদার। অনুষ্ঠানটি একযোগে সম্প্রচারিত হয় কালি ও কলম এবং আইএফআইসি ব্যাংকের ফেইসবুক পেইজে। ইমেরিটাস অধ্যাপক আনিসুজ্জামান এবং প্রয়াত কালি ও কলম সম্পাদক আবুল হাসনাতকে স্মরণ করে ভিডিওচিত্র প্রদর্শনী এবং কবিতা আবৃত্তির মাধ্যমে অনুষ্ঠানের সূচনা হয়। এরপর বিচারকমণ্ডলীর পক্ষ থেকে আনুষ্ঠানিকভাবে  বিজয়ীদের নাম ঘোষণা  করেন অধ্যাপক বিশ্বজিত্ ঘোষ।

অধ্যাপক পবিত্র সরকার বলেন, আমাদের জীবনের মুহূর্তগুলোকে মূল্যবান করে তোলার জন্য সাহিত্যচর্চা চালিয়ে যাওয়া এই মেধাবী তরুণ কথাশিল্পীদের ভালোবাসা প্রকাশ করছি। সাহিত্যের পথরেখায় তাদের আরো সমৃদ্ধি কামনা করছি। ওয়াসি আহমেদ বলেন, অভিজ্ঞতা থেকে দেখা গেছে আগের সব কালি ও কলম পুরস্কারপ্রাপ্ত লেখকরা তাদের পরবর্তী কাজগুলো দিয়ে আরো সফল এবং পরিণত হয়েছেন।