ইনজুরিতে পাঁচ ক্রিকেটার

আপডেট : ১৯ জুন ২০২১, ২১:৫৮

স্পোর্টস রিপোর্টার

সবকিছু ঠিক থাকলে আগামী মাসেই আবার জিম্বাবুয়ের মাটিতে পূর্ণাঙ্গ সিরিজ খেলবে বাংলাদেশ দল। জিম্বাবুয়ে সফরের আগে জাতীয় দলের পাঁচ ক্রিকেটার ইনজুরিতে ভুগছেন। তামিম ইকবালের হাঁটুতে চোট, তাসকিন আহমেদের হাতে সেলাই লেগেছে, লিটন দাস কবজির ব্যথায় ভুগছেন, মুস্তাফিজুর রহমানের কোমরে ব্যথা রয়েছে, নিউজিল্যান্ড থেকে বয়ে আনা ইনজুরি কাটিয়ে উঠতে পারেননি হাসান মাহমুদ।

গতকাল বিসিবির প্রধান চিকিত্সক দেবাশীষ চৌধুরী জানিয়েছেন, উদীয়মান ফাস্ট বোলার হাসান মাহমুদ ছাড়া কারোই জিম্বাবুয়ে সফরে খেলা নিয়ে শঙ্কা নেই। বিশ্রাম, রিহ্যাবের মাধ্যমে সেরে উঠছেন সবাই। 

তামিম ইকবাল

ডান হাঁটুর ব্যথার কারণে প্রাইম ব্যাংকের হয়ে ঢাকা প্রিমিয়ার লিগের সুপার লিগ পর্বে খেলছেন না তামিম। বর্তমানে বিশ্রামে আছেন এ ওপেনার। দেবাশীষ চৌধুরী বলেছেন, ‘তামিম গত কয়দিন ধরে ওর হাঁটুতে ব্যথার কথা বলছিল। ও সার্বক্ষণিক ফিজিওদের তত্ত্বাবধানে আছে, বিশ্রামে আছে। আশা করছি, পরিপূর্ণ বিশ্রাম নিশ্চিত করতে পারলে ৪-৫ দিনের মধ্যে ব্যথার তীব্রতা কমে আসবে। জিম্বাবুয়ে সফরে সমস্যা হওয়ার শঙ্কা নেই এ মুহূর্তে।’

তাসকিন আহমেদ

গত ১৬ জুন ফিল্ডিং করতে গিয়ে বাঁ হাতের চামড়া ফেটে গেছে তাসকিনের। মোহামেডানের হয়ে সুপার লিগ খেলতে পারছেন না তিনিও। বিসিবির প্রধান চিকিত্সক বলেছেন, ‘তাসকিনের বলের একটা আঘাতে নন-বোলিং হ্যান্ডে প্রথম ও দ্বিতীয় আঙুলের মাঝখানে ছিঁড়ে যায়। এটা ওর আগেই ছিল, নতুন করে আবার হয়েছে। কসমেটিক সার্জন দ্বারা যথাযথভাবে তার সার্জারি করা হয়েছে। ২-১ দিন বিশ্রাম নেওয়ার পর ওর বোলিং আবার নতুন করে শুরু করতে পারবে। আশা করছি, জিম্বাবুয়ে সিরিজে প্রভাব পড়বে না।’

লিটন কুমার দাস

কবজির ব্যথার কারণে আবাহনীর হয়ে প্রিমিয়ার লিগের কোনো ম্যাচই খেলতে পারেননি লিটন দাস। দেবাশীষ চৌধুরী বলেছেন, ‘লিটন গত দুই সপ্তাহের বেশি সময় ধরে রিস্ট স্ট্রেইনের সমস্যায় ভুগছেন। গতকাল পর্যন্ত ক্লাবের ফিজিওর যে রিপোর্ট পেয়েছি, ওর দুই হাতের শক্তি প্রায় স্বাভাবিক মাত্রায় চলে এসেছে। এখন দরকার ম্যাচ প্র্যাকটিস। যখনই লিটন প্র্যাকটিস করবে বা ম্যাচ খেলবে তখন বোঝা যাবে ইনজুরির বর্তমান অবস্থা। কিন্তু ফিজিওথেরাপির রিপোর্ট অনুসারে ইনজুরিটি রিকভারির পথে আছে।’

মুস্তাফিজুর রহমান

কয়েক দিন বিশ্রামে থেকে কোমরের ব্যথা অনেকটাই কাটিয়ে উঠেছেন মুস্তাফিজ। বিসিবির প্রধান চিকিত্সক বলেছেন, ‘মুস্তাফিজ কোমরের ব্যথার কথা জানিয়েছিল আমাদের। খুব তাড়াতাড়ি ওর লো ব্যাকে স্ক্যান করিয়েছি। স্ক্যানে খারাপ কোনো ইনজুরির লক্ষণ দেখিনি। ২-১ দিনের পরিচর্যায় ব্যথাটা অনেক কমে গেছে। আমরা আশা করছি, জিম্বাবুয়ে সফরে এর কোনো প্রভাব পড়বে না।’

হাসান মাহমুদ

অনেকটা মুস্তাফিজের মতোই লো ব্যাক পেইনে ভুগছেন হাসান। কিন্তু প্রায় তিন মাস কেটে গেলেও সুস্থ হতে পারেননি এ তরুণ। দেবাশীষ চৌধুরী বলেছেন, ‘হাসান মাহমুদের পরিচর্যা চলছে, ৭০-৮০ শতাংশ ঠিক হয়েছে।’