বাংলাদেশ এগ্রো প্রসেসরস অ্যাসোসিয়েশনের (বাপা) নির্বাচনের সব প্রক্রিয়া সম্পন্ন হয়েছিল। বাকি ছিল শুধু গতকাল শনিবারের ভোটগ্রহণ। কিন্তু পরিস্থিতি অনুকূলে না থাকায় একটি মহল চলে যান ব্যবসায়ীদের শীর্ষ সংগঠন এফবিসিসিআই সভাপতি মো: জসিম উদ্দিনের কাছে। তারা ভোটগ্রহণ বন্ধের দাবি জানান। এফবিসিসিআইর পক্ষ থেকে ভোটের মধ্যে বিবাদমান দুটি পক্ষকে ডাকা হয়। অনুরোধ করা হয় ভোট বন্ধের। গতকালের ভোটগ্রহণ যে স্থগিত হবে তা অনেক ভোটারই জানতেন না। অনেকে ভোট দিতে এসে দেখেন ভোট হচ্ছে না। এতে তারা ক্ষোভ প্রকাশ করেন।
উল্লেখ্য, বাপার নির্বাচনের জন্য এফবিসিসিআইর পরিচালক আবু মোতালেবকে প্রধান নির্বাচন কমিশনার করে একটি কমিশন গঠন করা হয়। নির্বাচনকে সামনে রেখে কমিশন ভোটার তালিকা প্রণয়নসহ আনুষঙ্গিক সব কর্মকাণ্ড গুছিয়ে আনে। কিন্তু সংগঠনের একটি পক্ষ নির্বাচন পিছিয়ে দেওয়ার জন্য বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ে আবেদন করলে মন্ত্রণালয় তাদের আবেদন পর্যালোচনা করে গত বুধবার সংগঠনের নির্বাচনি বোর্ডের কাছে চিঠি পাঠায়। চিঠিতে মন্ত্রিপরিষদ কর্তৃক জারিকৃত বিধিনিষেধ যথাযথভাবে অনুসরণ করে নির্বাচন সম্পন্ন করার কথা বলে। এ চিঠি পাওয়ার পর সংগঠনের একটি পক্ষ জরুরিভাবে নির্বাহী কমিটির সভা ডেকে নির্বাচন কমিশনকে ভেঙে দেওয়ার জন্য একটি রেজুলেশন তৈরি করে। এ ধরনের সিদ্ধান্তে সাধারণ ভোটারদের মধ্যে তীব্র ক্ষোভের সৃষ্টি হয়। সংগঠনের সঙ্গে সংশ্লিষ্টরা বলছেন, যে নির্বাহী কমিটি নির্বাচন কমিশন গঠন করেছে সেই কমিটি কমিশন ভেঙে দিতে পারে না। এ ধরনের এক্তিয়ার কারো নেই। এমনকি নির্বাচনের তপশিল চলাকালে নির্বাহী কমিটির বৈঠক ডাকাও বেআইনি।
০০০০
