আগুনে পুড়লে মাটি ও ছাইচাপা স্বপ্ন তবুও অবশিষ্ট থাকে, কিন্তু নদী ভাঙলে এক বুক দীর্ঘ নিঃশ্বাস নেওয়া ছাড়া আর কিছুই থাকে না। কিশোরগঞ্জের কটিয়াদী উপজেলার লোহাজুড়ি ইউনিয়নের পূর্বচর পাড়াতলা চকবাজার গ্রামের আড়িয়াল খাঁ নদীর পাড় এলাকায় নদীভাঙন দেখা দিয়েছে। এতে হুমকির মুখে পড়েছে বেশ কয়েকটি গ্রামের লোকজন। বিঘের পর বিঘে চাষের জমি নদীগর্ভে বিলীন হয়ে যাচ্ছে। সর্বনাশা নদী কোনো কিছুকেই রেহাই দেয় না। বসতভিটা, অট্টালিকা, হাট-বাজার, মসজিদ, সড়ক, ফসলি জমি, গাছপালাসহ সবকিছু চলে যাচ্ছে নদীর গর্ভে। গত বছর ঠিক এই সময়ে ভয়াবহ নদী ভাঙনের কবলে পড়ে লোহাজুরী ইউনিয়নের পূর্বচর পাড়াতলা, জালালপুর ইউনিয়নের মধ্য চরপুক্ষিয়া, মসূয়া ইউনিয়নের বৈরাগীচর গ্রামের বাসিন্দারা সর্বহারা হয়ে যায়। বছর ঘুরতেই ফের নতুন করে নদী ভাঙনের আশংকায় দুশ্চিন্তায় দিন কাটাচ্ছেন নদীর পাড়ে বসবাসকারী এসব গ্রামের মানুষেরা। আড়িয়াল খাঁর ভাঙন এখন ভয়ংকর রূপ ধারণ করেছে। নদীভাঙনে দেশের ক্ষতিগ্রস্ত মানুষগুলোর জন্য সরকারিভাবে সাহায্যের ব্যবস্থা নেওয়া দরকার। তাই দীর্ঘমেয়াদি পরিকল্পনা ও উদ্যোগের মাধ্যমে নদীভাঙন রোধে মাননীয় প্রধানমন্ত্রী, পানিসম্পদ মন্ত্রী, কিশোরগঞ্জ-২আসনের সংসদ সদস্য ও স্থানীয় প্রশাসনের সুদৃষ্টি কামনা করছি।
মিয়া মোহাম্মদ ছিদ্দিক, কটিয়াদী, কিশোরগঞ্জ
