কিশোর-কিশোরীদের জন্য পুষ্টিকর ও নিরাপদ খাবারের সহজলভ্যতা জরুরি

আপডেট : ২০ জুন ২০২১, ২১:০৫

  মহিলা অঙ্গন প্রতিবেদক

 

দেশের কিশোর-কিশোরীদের অংশগ্রহণে ‘ভালো খাবো, ভালো থাকবো’ ব্যতিক্রমী ক্যাম্পেইন পুষ্টিকর ও নিরাপদ খাবার গ্রহণে উত্সাহিত করতে নতুন মাত্রা যোগ করেছে। তবে সমস্যা হচ্ছে স্কুল বা কলেজ প্রাঙ্গণে পুষ্টিকর খাবার সহজলভ্য না হওয়ায় শিক্ষার্থীরা ইচ্ছা করলেও বেশির ভাগ ক্ষেত্রে পুষ্টিকর খাবার খেতে পারেন না। রাজধানীর একটি হোটেলে আয়োজিত পুষ্টিবিষয়ক জাতীয় সভায় অংশ নিয়ে কিশোর-কিশোরীরা এই অভিমত তুলে ধরেন। এর সঙ্গে একাত্মতা ঘোষণা করেন তারকা অভিনেত্রী জয়া আহসান।  পুষ্টিবিষয়ক এই জাতীয় সভার আয়োজন করে ন্যাশনাল নিউট্রিশন সার্ভিস (এনএনএস)। এতে সহযোগী হিসেবে ছিল সুইজারল্যান্ডভিত্তিক আন্তর্জাতিক সংস্থা গ্লোবাল অ্যালায়েন্স ফর ইসপ্রুভড নিউট্রিশন (গেইন)

 প্রায় ১০ লাখের অধিক কিশোর-কিশোরীদের শপথ গ্রহণে চলমান এই ক্যাম্পেইন ইতিমধ্যে দেশব্যাপী বেশ সাড়া জাগিয়েছে। তারই ধারাবাহিক অংশ হিসেবে এই সভার আয়োজন করা হয়। ক্যাম্পেইনে নিরাপদ ও পুষ্টিকর খাবার গ্রহণে সচেতনতার পাশাপাশি খাদ্য অধিকার, খাদ্য নিরাপত্তা ও স্বাস্থ্যগত উন্নয়ন বিষয়টিকে বিশেষ গুরুত্ব দেওয়া হয়। যা টেকসই লক্ষ্যমাত্রা অর্জনে (এসডিজি) গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে। অন্যদের মধ্যে আলোচনায় অংশ নেন ন্যাশনাল নিউট্রিশন সার্ভিস (এনএনএস)-এর লাইন ডিরেক্টর ড. এস এম মোস্তাফিজুর রহমান, বিশিষ্ট কথাসাহিত্যিক আনিসুল হক, ইনফোলেডি সোশ্যাল এন্টারপ্রাইজ লিমিটেড (আইসোশ্যাল) এর প্রধান নির্বাহী অনন্য রায়হান, গেইন বাংলাদেশ-এর কান্ট্রি ডিরেক্টর ডা. রুদাবা খন্দকার, বাংলাদেশ ইনস্টিটিউট অব আইসিটি ইন ডেভেলপমেন্ট (বিআইআইডি)-এর প্রধান নির্বাহী শহীদ উদ্দিন আকবরসহ সংশ্লিষ্টরা। আলোচনায় অংশ নিয়ে আনিসুল হক বলেন, পুষ্টিকর খাবার গ্রহণে শরীরে রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়ে। সচেতনতার অংশ হিসেবে কিশোর-কিশোরীদের অংশ গ্রহণে এই ক্যাম্পেইন সেদিক থেকে অনেক বেশি গুরুত্বপূর্ণ। জয়া আহসান বলেন, উজ্জ্বল ক্যারিয়ার করতে হলে ছোটবেলা থেকেই নিরাপদ ও পুষ্টিকর খাবার গ্রহণ করতে হবে। যা শারীরিক ও মানসিক উত্কর্ষ সাধনে বড় ভূমিকা রাখবে। তিনি কিশোর-কিশোরীদের দাবির সঙ্গে একাত্মতা ঘোষণা করে বলেন, এটা ঠিক ছাত্রছাত্রীরা চাইলেও অনেক ক্ষেত্রে পুষ্টিকর খাবার খেতে পারেন না। তাই স্কুল, কলেজ, বিশ্ববিদ্যালয় এলাকায় পুষ্টিকর ও নিরাপদ খাবারের সহজলভ্যতা নিশ্চিত করতে হবে।