ইত্তেফাক রিপোর্ট
বর্তমানে দেশে ক্ষুদ্র ও মাঝারি (এসএমই) শিল্প খাতের নতুন উদ্যোক্তাদের কর অবকাশসুবিধা নেই। এসএমই খাতের নতুন উদ্যোক্তাদের ১০ বছরের জন্য কর অবকাশসুবিধা দেওয়ার আহ্বান জানিয়েছে এসএমই ফাউন্ডেশন। আগামী ২০২১-২২ অর্থবছরের জন্য প্রস্তাবিত বাজেটে ১৪টি এসএমইবান্ধব প্রস্তাবনা গ্রহণ করায় সরকারের প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেছে এসএমই ফাউন্ডেশন। তবে বাজেট পাশের আগে বিবেচনার জন্য এসএমইবান্ধব আরো কয়েকটি প্রস্তাবনা জাতীয় রাজস্ব বোর্ডের কাছে পাঠানো হবে বলে জানিয়েছেন এসএমই ফাউন্ডেশনের চেয়ারপারসন অধ্যাপক ড. মো. মাসুদুর রহমান। এ বিষয়ে গতকাল অনলাইনে সংবাদ সম্মেলনে তিনি বলেন, প্রণোদনা দেওয়ার ফলে ক্ষুদ্র ও মাঝারি উদ্যোক্তাদের পক্ষে কোভিড-১৯-এর ক্ষতি কাটিয়ে ওঠা সহজতর হচ্ছে।
ফাউন্ডেশনের ব্যবস্থাপনা পরিচালক ড. মো. মফিজুর রহমান জানান, প্রস্তাবিত বাজেটে বার্ষিক টার্নওভার ৫০ লাখ টাকা হতে ৩ কোটি টাকা পর্যন্ত ৪ শতাংশ হারে টার্নওভার কর নির্ধারণ করা আছে। এসএমই খাতের প্রকৃত উন্নয়নের জন্য টার্নওভার কর হার কমানো প্রয়োজন। বর্তমানে এসএমইসহ সব রপ্তানিকারক শিল্পের জন্য করপোরেট ট্যাক্স ৩৫ শতাংশ হারে প্রযোজ্য। যদিও তৈরি পোশাক রপ্তানির ওপর নিম্নতর হার নির্ধারণ করা আছে। এসএমই রপ্তানিকারকদের জন্য করপোরেট ট্যাক্স আরো কিছটা হ্রাস করা প্রয়োজন। এমএসএমই রপ্তানিকারক প্রতিষ্ঠানের জন্য রপ্তানির বিপরীতে ন্যূনতম ২০ শতাংশ হারে নগদসহায়তা প্রদানের সুপারিশ করেন তিনি। সরকারি প্রতিষ্ঠানের একটি নির্দিষ্ট পরিমাণ পণ্য বা সেবা এমএসএমইদের থেকে ক্রয় নিশ্চিতকরণের জন্য উদ্যোগ নেওয়ার আহ্বান জানানো হয় ফাউন্ডেশনের পক্ষ থেকে।
