ওয়েলসের সঙ্গে ১-১ গোলে ড্র করে ইউরো যাত্রার শুরুটা খুব একটা খারাপ হয়নি সুইজারল্যান্ডের। কিন্তু পরের ম্যাচে ইতালির বিপক্ষে তিন গোল হজম করেই যেন সর্বনাশ ডেকেছে ভ্লাদিমির পেতকোভিচের শিষ্যরা। যার ফলে রবিবার গ্রুপপর্বের শেষ ম্যাচে তুরস্ককে ৩-১ গোলে হারানোর পরেও শেষ ষোলোর টিকিট নিশ্চিত করতে পারেনি সুইসরা। অবশ্য বাদও পড়েনি তারা। জারদান শাকিরির করা জোড়া গোলের সুবাদে নকআউটের আশা টিকিয়ে রাখলো তারা।
রবিবার রাতে বাকু অলিম্পিক স্টেডিয়ামে হওয়া ম্যাচটিতে তুরস্কের বিপক্ষে আধিপত্য বিস্তার করেই ম্যাচটি জিতেছে সুইজারল্যান্ড। পুরো ম্যাচে অন্তত ১০টি শট তারা রেখেছিল গোলপোস্ট বরাবর। যার তিনটিতে মিলেছে গোল।
ম্যাচের মাত্র ৬ মিনিটেই দলকে এগিয়ে দেন ফরোয়ার্ড হ্যারিস সেফেরোভিচ। এর ২০ মিনিট পর ব্যবধান দ্বিগুণ করেন শাকিরি। দুই গোলে এগিয়ে থেকেই প্রথমার্ধ শেষ করেছে সুইজারল্যান্ড। পরে দ্বিতীয়ার্ধে ম্যাচের ৬৮ মিনিটের সময় নিজের দ্বিতীয় ও দলের তৃতীয় গোলও করেন শাকিরি। এর আগে ৬২ মিনিটের সময় তুরস্কের পক্ষে একটি শোধ দেন ইরফান কাভেচি।
এ জয়ের পর গ্রুপপর্বের ৩ ম্যাচ শেষে ৪ পয়েন্ট হয়েছে সুইজারল্যান্ডের। সমান ম্যাচে সমান ৪ পয়েন্ট রয়েছে ওয়েলসেরও। কিন্তু গোল ব্যবধানে এগিয়ে থাকায় এ গ্রুপ থেকে দ্বিতীয় দল হিসেবে নকআউটে গেছে ওয়েলস।
সুইজারল্যান্ডের গোল ব্যবধান যেখানে -১, সেখানে +১ গোল ব্যবধান নিয়ে দ্বিতীয় স্থানটি নিজেদের করে নিয়েছে ওয়েলস। গ্রুপের তিন ম্যাচে তিন গোল করার বিপরীতে দুই গোল হজম করেছে ওয়েলস। অন্যদিকে ৪ গোল দিয়ে ৫টি হজম করেছে সুইজারল্যান্ড। এ গ্রুপের শীর্ষ দল হিসেবে ইতালি ও দ্বিতীয় দল হিসেবে ওয়েলস পেয়েছে নকআউটের টিকিট। তবে আশা শেষ হয়ে যায়নি সুইজারল্যান্ডের। কারণ এবারের ইউরোর ফরম্যাট অনুযায়ী চারটি গ্রুপ থেকে তৃতীয় দলকেও দেওয়া হবে নকআউটের টিকিট।
সে হিসেবে ছয় গ্রুপেরই তৃতীয় হওয়া দলগুলোর পয়েন্ট ও গোল ব্যবধান আনা হবে বিবেচনায়। সেই হিসেবে যে ৪ দল এগিয়ে থাকবে তারাই যাবে নকআউটে। তাই গ্রুপে তৃতীয় হলেও আশা টিকে রয়েছে সুইজারল্যান্ডের।
ইত্তেফাক/টিআর
