দুই জন নিহতের ঘটনায় প্রার্থীরাই দায়ী :ইসি

আপডেট : ২১ জুন ২০২১, ২২:৩০

ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে কয়েকটি অনাকাঙ্ক্ষিত ঘটনার সৃষ্টি হয়েছে উল্লেখ করে নির্বাচন কমিশন সচিব হুমায়ুন কবীর খোন্দকার বলেন, এতে দুজন নিহত হয়েছে। ভোলার চরফ্যাশন উপজেলায় একজন এবং বরিশালের গৌরনদীতে প্রার্থীর সমর্থকদের মধ্যে সংঘর্ষে আরেকজন নিহত হয়। যেহেতু প্রার্থীদের নিজেদের মধ্যে ধাওয়া-পালটা ধাওয়ায় নিহত হয়েছে, তাই প্রার্থীরাই এ বিষয়ে ব্যবস্থা নেবেন। নিহতের ঘটনায় ইসির দায়ী নয় বল মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা। গতকাল সোমবার সকাল ৮টা থেকে বিকাল ৪টা পর্যন্ত          লক্ষ্মীপুর-২ আসনের উপনির্বাচন, ২০৪ ইউনিয়ন পরিষদ (ইউপি) নির্বাচন ও দুটি পৌরসভার নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয়। নির্বাচন ভবনের মিডিয়া সেন্টারে ভোটগ্রহণ-পরবর্তী এক সংবাদ সম্মেলনে সাংবাদিকদের সঙ্গে কথা বলেন ইসি সচিব।

দুজন নিহতের ঘটনায় আইনি ব্যবস্থা নেবেন কি না এমন প্রশ্নের জবাবে সচিব বলেন, প্রার্থী নিজেদের মধ্যে ধাওয়া-পালটা ধাওয়ায় নিহতের ঘটনা ঘটেছে। কাজেই তারা এ বিষয়ে আইনি ব্যবস্থা নেবে। তাছাড়া ঘটনার তদন্ত হলে এ বিষয়ে বিস্তারিত জানা যাবে।

ইসি সচিব বলেন, ভোলার চরফ্যাশন উপজেলার হাজারীগঞ্জ ইউনিয়নের ৫ নম্বর ওয়ার্ডের কেন্দ্রের বাইরে দুই গ্রুপের সংঘর্ষে একজন নিহত হয়। এছাড়া বরিশাল জেলার গৌরনদী উপজেলার খাঞ্জাপুর ইউনিয়নের ৯ নম্বর ওয়ার্ডের কমলাপুর প্রাথমিক বিদ্যালয় ভোটকেন্দ্রে জালভোট দেওয়ার অভিযোগে একজনকে গ্রেফতার করা  হয়। প্রতিপক্ষ প্রার্থীর সমর্থকদের মধ্যে সংঘর্ষে একজন নিহত হয়। এ নির্বাচনকে কেন্দ্রে করে প্রার্থীদের সমর্থকদের মধ্যে সংঘর্ষের জেরে দুজন নিহতের ঘটনা ঘটেছে। কোনো মৃত্যুই কাম্য নয়।

ইসি সচিব বলেন, দু-একটি অনাকাঙ্ক্ষিত ঘটনা ছাড়া ভোট শান্তিপূর্ণভাবে সম্পন্ন হয়েছে। নির্বাচনে পর্যাপ্ত আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সদস্য মোতায়েন ছিল। ভবিষ্যতে আর কী কী ব্যবস্থা নিলে এ ধরনের অনাকাঙ্ক্ষিত ঘটনা আর ঘটবে না, তা পরবর্তী সময়ে পর্যালোচনা করা হবে। 

তিনি বলেন, নির্বাচন কমিশন থেকে সারা দেশে অনুষ্ঠিত নির্বাচন মনিটরিং করা হয়েছে। এছাড়া বিভিন্ন মিডিয়ায় যেসব খবর প্রচারিত হয়েছে তার ওপর ভিত্তি করেও প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে। লক্ষ্মীপুর-২ আসনে ইভিএমের মাধ্যমে শান্তিপূর্ণভাবে ভোটগ্রহণ শেষ হয়েছে। 

স্থগিত থাকা নির্বাচন ঈদের আগে অনুষ্ঠিত হবে কি না জানতে চাইলে তিনি বলেন, কমিশন এ বিষয়ে এখনো কোনো সিদ্ধান্ত নেয়নি। পরবর্তী সভায় এ বিষয়ে আলোচনা করা হবে।  ইউপির পরবর্তী ধাপের নির্বাচনের বিষয়েও কমিশন সভায় আলোচনার মাধ্যমে জানানো হবে।