আগৈলঝাড়ায় বেড়েছে ডায়রিয়া ও নিউমোনিয়ার প্রকোপ

আপডেট : ২২ জুন ২০২১, ২১:৩৯

আগৈলঝাড়ায় হঠাত্ করেই ডায়রিয়া ও নিউমোনিয়ার প্রকোপ বেড়ে গেছে। ঠান্ডা আর গরম এমন বৈরী আবহাওয়ার কারণে ডায়রিয়া ও নিউমোনিয়া আক্রান্ত রোগীর সংখ্যা বাড়ছে বলে জানিয়েছেন চিকিত্সকরা।

উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স সূত্রে জানা গেছে, গত ১৮ জুন থেকে চার দিনে ডায়রিয়া ও নিউমোনিয়া আক্রান্ত হয়ে ১৬ জন রোগী উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি হয়েছেন। এছাড়াও আউটডোরে প্রতিদিন ২০ থেকে ২৫ জন রোগী চিকিত্সা নিচ্ছেন। মহামারি করোনাকালে হঠাত্ করে উপজেলা জুড়ে ডায়রিয়া ও নিউমোনিয়া রোগীর সংখ্যা বৃদ্ধি পাওয়ায় চিকিত্সাসেবা দিতে হিমশিম খাচ্ছেন চিকিত্সকরা। গত চার দিনে উপজেলার রাংতা গ্রামের হানিফ আকনের স্ত্রী বেবী বেগম, পূর্ব সুজনকাঠি গ্রামের খোকন মোল্লার ৯ মাসের মেয়ে আয়শা আক্তার, একই গ্রামের ফরহাদ মোল্লার দেড় বছরের ছেলে ফারহান, সাতলা গ্রামের মিলন হাওলাদারের ৯ মাসের ছেলে তাজিম, ধানডোবা গ্রামের হরিদাস বাড়ৈর স্ত্রী শোভা বাড়ৈ, চেঙ্গুটিয়া গ্রামের নাজমুল ইসলামের স্ত্রী আফিয়া আক্তার, রাজিহার গ্রামের হারুন হাওলাদারের স্ত্রী সাথী বেগম, ফুল্লশ্রী গ্রামের রুবেল সরদারের ১০ মাসের ছেলে আয়ান ইসলাম, আমবাড়ি গ্রামের সুশান্ত সরকারের ছেলে দৃশ্য সরকার, বাশাইল গ্রামের সঞ্জয় রায়ের সাত মাসের ছেলে সার্থক রায়, আস্কর গ্রামের জগদীশ সাহার দেড় বছরের ছেলে জয় সাহা, কাঠিরা গ্রামের কিরন হালদারের স্ত্রী শিখা হালদার, বড় বাসাইল গ্রামের সঞ্জয় ঢালীর সাত মাসের ছেলে সার্থক ঢালী ডায়রিয়ায় আক্রান্ত হয়ে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি হয়েছে। এছাড়াও নিউমোনিয়ায় আক্রান্ত হয়ে চেঙ্গুটিয়া গ্রামের জহিরুল ইসলামের চার মাসের মেয়ে মীম আক্তার, সাতলা গ্রামের মনিরুজ্জামান বালীর দুই বছরের ছেলে সাজিদ বালী এবং পিরেরপাড় গ্রামের মাধব মহুরীর আড়াই বছরের ছেলে দুরন্ত মহুরী উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি হয়েছে।

উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডা. বখতিয়ার আল মামুন বলেন, ‘আবহাওয়াজনিত পরিবর্তন ও নিরাপদ খাবার গ্রহণ না করার কারণেই ডায়রিয়া দেখা দিয়েছে। চলতি জুন মাসের শুরু থেকে করোনার পাশাপাশি ডায়রিয়া ও নিউমোনিয়া আক্রান্ত রোগীর সংখ্যা অনেক বেড়েছে। এ রোগ থেকে রক্ষা পেতে হলে পরিষ্কার-পরিচ্ছন্ন থাকতে হবে। বিশেষ করে সবাইকে নিরাপদ খাবার গ্রহণ ও বিশুদ্ধ পানি পান করতে হবে।’