সাভার উপজেলার বিভিন্ন বাজার এবং পাইকারি ও খুচরা দোকানগুলোতে নিষিদ্ধ পলিথিন ব্যাগে সয়লাব হয়ে গেছে। সব প্রকার নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্য ও সদাই বহনের জন্য উপজেলার প্রতিটি বাজারে পরিবেশের জন্য ক্ষতিকারক এ পলিথিনের অবাধ ব্যবহার লক্ষ্য করা যাচ্ছে। ক্রেতাসাধারণকে অনেকটা বাধ্য হয়েই পণ্য বহনের জন্য পলিথিনের ওপর নির্ভর করতে হচ্ছে। ক্ষতিকর পলিথিন দ্রব্যের ব্যবহার বন্ধ না হওয়ায় তা পরিবেশের জন্য মারাত্মক হুমকির সৃষ্টি করেছে বলে অভিমত বিশেষজ্ঞদের।
সাভারের বিভিন্ন বাজার ঘুরে দেখা গেছে, বাজার বাসস্ট্যান্ড, গেন্ডা কাঁচা বাজার, সাভার নামা বাজারসহ উপজেলার বিভিন্ন হাটবাজার, পাইকারি ও খুচরা দোকানে নিত্যপ্রয়োজনীয় দ্রব্যাদি চাল, ডাল, মাছ, মাংস থেকে শুরু করে বিভিন্ন মসলা বিক্রির ক্ষেত্রে ক্রেতাদের হাতে তুলে দেওয়া হচ্ছে পলিথিনের ব্যাগ। ক্রেতাসাধারণ পলিথিনের ক্ষতিকারক দিক সম্পর্কে জেনে বা অজ্ঞাতসারে তা বহন করছে। অনেক ব্যবসায়ী ও পাইকারি দোকানিকে পলিথিন মজুত রাখতেও দেখা গেছে। এছাড়া বিভিন্ন মার্কেট ও শপিং সেন্টারেও নিষিদ্ধ পলিথিনের ব্যবহার লক্ষ্য করা গেছে।
সাভার পৌর এলাকার ব্যাংক কলোনি এলাকার বাসিন্দা মাহমুদুল হাসান চৌধুরী বলেন, বাজারের জন্য বাসা থেকে ব্যাগ নিয়ে আসা হয় না। দোকানিরা পণ্যের সঙ্গে পলিথিন ব্যাগ দেওয়ায় বাধ্য হয়ে পলিথিন ব্যবহার করতে হয়। দোকানিরা পলিথিন ব্যাগ সরবরাহ না করলে অবশ্যই এর ব্যবহার কমে যেত। এজন্য আইনের সঠিক প্রয়োগ না থাকা এবং প্রশাসনের দায়িত্বহীনতাকে দায়ী করেন তিনি।
সাভার নদী ও পরিবেশ রক্ষা কমিটির সভাপতি বীর মুক্তিযোদ্ধা মো. রফিকুল ইসলাম মোল্লা বলেন, পলিথিন ব্যবহারের পর তা ড্রেনসহ যত্রতত্র ফেলায় ড্রেনের পানি নিষ্কাশন বন্ধ হয়ে এলাকার পরিবেশ নষ্ট হচ্ছে।
সাভার রাজস্ব সার্কেলের সহকারী কমিশনার (ভূমি) ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট মো. আব্দুল্লাহ আল মাহফুজ জানান, পলিথিনের ব্যবহার সরকারিভাবে নিষিদ্ধ। প্রশাসনের পক্ষ থেকে বিভিন্ন সময় ভ্রাম্যমাণ আদালত পরিচালনা করার ফলে পলিথিনের ব্যবহার অনেকাংশে কমে গেছে।
