সারাদেশে করোনা পরিস্থিতি দিন দিন আশঙ্কাজনক পর্যায়ের দিকেই যাচ্ছে বলে অনেকেই ধারণা করছেন। বর্তমানে দেশের জেলা, উপজেলা পর্যায়েও সংক্রমণ ও মৃতের সংখ্যা দিন দিন বৃদ্ধি পাচ্ছে। জেলা পর্যায়ের সরকারি হাসপাতালগুলোতে করোনা রোগী ভর্তি করার মতো সিট খালি নেই। দেশের মানুষকে বাঁচাতে অতি দ্রুত জেলা ও উপজেলা পর্যায়ের হাসপাতালে করোনা রোগীদের সুচিকিত্সার ব্যবস্থা নিশ্চিত করতে হবে এবং প্রতিটি হাসপাতালে পর্যাপ্ত অক্সিজেনের ব্যবস্থা করতে হবে। করোনা পরীক্ষার সুযোগ বাড়াতে হবে যাতে দৈনিক কমপক্ষে এক লাখ মানুষের পরীক্ষা করা যায়। সারাদেশে প্রতিটি ওয়ার্ড, পাড়া, মহল্লায় ‘করোনা প্রতিরোধ কমিটি’ গঠন করতে হবে। প্রতিদিন বাড়ি বাড়ি গিয়ে খোঁজ করতে হবে, পরিবারের কোনো সদস্যের জ্বর, সর্দি, কাশি, শ্বাসকষ্ট ইত্যাদি করোনা উপসর্গ দেখা দিলে দ্রুত পরীক্ষার ব্যবস্থা করে চিকিত্সা নিশ্চিত করতে হবে। করোনায় আক্রান্ত ব্যক্তিদের জন্য প্রতিটি ওয়ার্ডে আইসোলেশন সেন্টার খুলতে হবে। গত কিছুদিন যাবত বিভিন্ন এলাকায় লকডাউন চলছে। কিন্তু লকডাউনের এলাকায়ও সংক্রমণ নিয়ন্ত্রণে আসছেনা। কারণ পরীক্ষা ও চিকিত্সার পর্যাপ্ত সুযোগ না থাকায়, করোনা উপসর্গ নিয়েই অনেকে বাইরে ঘুরে বেড়াচ্ছে। করোনায় আক্রান্ত ব্যক্তিদের অবস্থার অবনতি দেখা দিলেই কেবল তাদের পরীক্ষা বা হাসপাতালে ভর্তি করতে নেওয়া হচ্ছে। যে কারণে সংক্রমণের হার দ্রুত বৃদ্ধি পাচ্ছে। কাজেই সকল উন্নয়নমূলক কাজ বন্ধ রেখে সর্বোচ্চ গুরুত্ব দিয়ে এবং কোনো রকম অবহেলা না করে দ্রুততম সময়ের মধ্যে সারাদেশে করোনা ভাইরাসের সংক্রমণ ও মৃত্যুর সংখ্যা নিয়ন্ত্রনে আনার ব্যবস্থা করতে হবে। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রনের বাইরে চলে গেলে দেশ এক মহাসঙ্কটে পড়তে পারে।
বিপ্লব বিশ্বাস
গোয়ালচামট,
ফরিদপুর
