বাড়ছে আঞ্চলিক লকডাউনের পরিধি

আপডেট : ২৪ জুন ২০২১, ২১:৫৬

করোনা ভাইরাস পরিস্থিতির অবনতিতে দেশে লকডাউনের পরিধিও বাড়ছে। বিভিন্ন অঞ্চলে বিস্তৃত হচ্ছে খণ্ড খণ্ড লকডাউন। আঞ্চলিক

এই লকডাউন থেকে সুফল কতটা মিলবে? এ বিষয়ে টেলিফোন ও ইমেইলে প্রাপ্ত পাঠকদের অভিমত প্রকাশিত হলো আজ

শুধু পূর্ণাঙ্গ বা খণ্ডিত লকডাউন দিয়ে কোনো কাজ হবে না। বড় বিপর্যয় এড়ানোর জন্য হাসপাতালগুলোতে চিকিত্সক, নার্স ও টেকনিশিয়ানের সংখ্যা বাড়াতে হবে। বাড়াতে হবে আইসিইউর সংখ্যা। অক্সিজেনের সংকট এড়ানোর জন্য প্রস্তুতি থাকতে হবে। এবার গ্রামাঞ্চলে বেশ সংক্রমণ দেখা দিয়েছে। সেসব জায়গায় নজর দিতে হবে। স্বাস্থ্যবিধি বাড়াতে হবে। সর্বোপরি লকডাউন কঠোরভাবে কার্যকর করতে হবে।

আল মায়ামী

ফুলবাড়িয়া, সাভার

করোনা ভাইরাসের সংক্রমণ রোধে সমপ্রতি সারা দেশে চালু হয়েছে খণ্ড-খণ্ড বা জেলাভিত্তিক লকডাউন যেখানে তা  সমপূর্ণ নিয়ন্ত্রণের দায়িত্ব ওই অঞ্চলের প্রশাসনের  উপর ন্যস্ত করা হয়েছে। আমার মতে, এ  পদ্ধতিতে সফলতা মেলার সম্ভাবনা রয়েছে। কেননা জেলা প্রশাসকের কাছে লকডাউন নিয়ন্ত্রণের ভার যাওয়ার পর দায়বদ্ধতার জায়গাটা আরো জোরালো হয়েছে।

ফাতিমা তুজ জোহরা

মাগুরা

কোভিড-১৯-এর সংক্রমণ বৃদ্ধি পাওয়ার ফলে লকডাউনের ব্যবস্থা করা হয়েছে। বিষয়টি অত্যন্ত ভালো। তবে নিয়ম-বিধির ওপর গুরুত্বারোপ করতে হবে। বিশেজ্ঞরা মনে করছেন, দ্রুত প্রয়োজনীয় প্রতিরোধ ব্যবস্থা নেওয়া না হলে মহামারি ভারতের মতোই ভয়ংকর রূপ নিতে পারে। বিভিন্ন হাসপাতালে বাড়ছে রোগীর সংখ্যা। ভারতের কিংবা অন্য অনেক দেশে রাস্তায় কিংবা জনসমাগমের স্থানে তাত্ক্ষণিক নমুনা পরীক্ষার ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে। আমাদের এখানে সে রকম ব্যবস্থা নেওয়া প্রয়োজন।

বজলুল করিম

এনায়েতগঞ্জ লেন, আজিমপুর, ঢাকা

করোনা ভাইসারের প্রকোপ আবার বেড়ে যাওয়ায় দেশের বিভিন্ন জায়গায় চলছে লকডাউন। ঢিলেঢালাভাবে চললেও সুস্থ থাকার জন্য লকডাউন মেনে চলা উচিত। তবে দেশে নানা ধরনের প্রতিকূলতার জন্য লকডাউন আরোপ করলেও কার্যকর করা সম্ভব হচ্ছে না। করোনা ভাইরাস নির্মূল হবার কোন সমূহ সম্ভবনা দৃশ্যমান নয়। তাই সুস্থ থাকার জন্য ব্যক্তিগত সচেতনতাই এখন প্রধান দাওয়াই।

সাদিয়া সরকার অনি

শিক্ষার্থী, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়

পূর্ব অভিজ্ঞতা থেকে সহজেই বোঝা যাচ্ছে এবারের লকডাউন কতটা কার্যকরী হবে!  এই ব্যাধিময়ী প্রতিকূলতা থেকে উত্তরণের জন্য লকডাউনের আগে জনসাধারণের মধ্যে সচেতনতা বোধ জাগ্রত করতে হবে। তাহলেই এই লকডাউন ফলপ্রসূ হবে।

ফারহানা ইয়াসমিন

অভয়নগর, যশোর

যদি বিকল্পধারার যোগাযোগ এবং বিনিয়োগ ব্যবস্থা চালু করা না যায়, সার্বিকভাবে জীবনধারা ভয়াবহ ক্ষতির সম্মুখীন হতে পারে। ডিজিটাল বাংলাদেশে টেকনোলজির আরো বিস্তার ঘটানো এখন সময়ের দাবি। তবে লকডাউনকে অবহেলা করা অনুচিত।

মীম রাইয়ান খান

ঢাকা

অঞ্চলভিত্তিক খন্ড খন্ড লকডাউন একটি সময়োপযোগী পদক্ষেপ। কেননা, এর ফলে দেশের সার্বিক অর্থনৈতিক ও সমাজিক কার্যক্রম সচল থাকবে, দেশজুড়ে মধ্যবিত্ত ও নিম্নবিত্তদের একযোগে ভোগান্তি পোহাতে হবে না এবং ঝুঁকিপূর্ণ অঞ্চলগুলো চিহ্নিত হওয়ায় প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ গ্রহণ করে দ্রুতই তা স্বাভাবিক করে তোলা সম্ভব হবে। পাশাপাশি ওই সব জেলায় কঠোর লকডাউন থাকায় জেলার অভ্যন্তরে ও পাশ্ববর্তী অঞ্চলসমূহে নতুন করে করোনা আক্রান্তের হার বৃদ্ধি পাবে না।

রুকাইয়া মিজান মিমি

শিক্ষার্থী, জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়

প্রতিদিনই করোনায় আক্রান্তের হার বৃদ্ধি পাচ্ছে যা গড়ে শতকরা ১০ভাগ থেকে ১৫ভাগ-এর মধ্যে উঠানামা করছে। তাই সরকার বিভাগ ভিত্তিক লকডাউন এর পাশাপাশি বর্তমান পরিস্থিতি বিবেচনা সাপেক্ষে বিভিন্ন অঞ্চলে খন্ড খন্ড লকডাউন দেওয়ার নির্দেশনা দিয়েছে। কিন্তুু আমার মনে হয় শুধুমাত্র লকডাউন দিয়ে এই বিরূপ পরিস্থিতি থেকে মুক্ত হওয়া সম্ভব নয়। লকডাউনের পাশাপাশি সাধারন জনগনকে অবশ্যই সচেতন হতে হবে।

সানজিদা মাহমুদ মিষ্টি

জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়

করোনা ভাইরাস থেকে মুক্তি পেতে খণ্ড খণ্ড লকডাউনে রয়েছে দেশ। করোনা নিয়ন্ত্রণে মানুষকে স্বাস্থ্যবিধি মানতে হবে। স্বাস্থ্যবিধি অমান্য করলে লাগাতার কঠোর লকডাউন দিতে হবে। দেশে টিকা উত্পাদনে দ্রুত ব্যবস্থা নিতে হবে।

ফারুক আহমেদ

বাগমারা, রাজশাহী

এই উদ্যোগের জন্য সরকার মহোদয়কে সাধুবাদ জানাই। তবে এটা ছাড়াও স্বাস্থ্যবিধি, টিকা ব্যবস্থা ও করোনা ভাইরাস নমুনা পরীক্ষার বিষয়টি আরো বেশি জোরদার করতে হবে। জন সাধারণের মাঝে এখনই সচেতনতা আরো বাড়াতে হবে। প্রতিটি মহল্লায় ও পাড়ায় মাইকিংয়ের মাধ্যমে এর প্রচারণা চালাতে হবে।

আনতারা আনিকা লাবণ্য

ইডেন মহিলা বিশ্ববিদ্যালয়, আজিমপুর, ঢাকা

বাংলাদেশে মহামারি করোনা ঠেকানোর জন্য যতগুলো লকডাউন বিভিন্ন সময়ে দেওয়া হয়েছে, তা অনেকটাই হাস্যকর! বর্তমানে খণ্ডিতভাবে বিভিন্ন জায়গায় লকডাউন দেওয়া হয়েছে। মজার ব্যাপার, সেই সব রাস্তায় কিন্তু গাড়ি চলছেই। বড় বড় বাস যাত্রী নিয়েও চলছে। গণপরিবহনগুলোতে স্বাস্থ্যবিধি মানা হচ্ছে না। শুধু অতিরিক্ত ভাড়া এবং চরম হয়রানিটাই সেখানে চলছে। লকডাউন কার্যকরভাবে পালন করতে অর্থনৈতিক সচ্ছলতা থাকা দরকার। দীর্ঘদিন যাবত্ দেশের অর্থনৈতিক অবস্থা মারাত্মক খারাপ। গুড গভর্ন্যান্স যেসব দেশে চালু আছে, সেই সব দেশে সবকিছু হিসাব করে কার্যকর লকডাউনের ঘোষণা দেয়।

সাইফুল ইসলাম তানভীর

গুলশান, ঢাকা

সচেতন ও নিয়ম মেনে না চললে কোনো কিছুতেই করোনা থেকে পরিত্রাণ পাওয়া যাবে না, যিনি করোনায় আক্রান্ত তাকে বেশি সচেতন থাকতে হবে। কারণ তার মাধ্যমে ভাইরাস ছড়ায়।

মো. ফিরোজ আহম্মেদ

মিরপুর, ঢাকা

করোনা ভাইরাস সংক্রমণে আক্রান্ত ও মৃত্যুর জন্য মানুষের অসচেতনতা ও স্বাস্থ্যবিধি অনুসরণে অনীহাকে কাঠগড়ায় দাঁড় করালেও তা পুরোপুরি সত্য নয়। দোকানপাট, হাটবাজার ও গণপরিবহনে স্বাস্থ্যবিধি মেনে চলাচলের ব্যবস্থা করতে না পারার দায় অবশ্যই সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের।

এ এফ এম সালাহ উদ্দীন

বান্দরবান সদর, বান্দরবান পার্বত্য জেলা

বর্তমান পরিস্থিতিতে ডেলটা ভ্যারিয়েন্টের আগ্রাসি সংক্রমণ নিয়ন্ত্রণে ভারতের সীমান্তঘেঁষা জেলাসহ তত্সংলগ্ন অধিকতর সংক্রমণপ্রবণ জেলাগুলোতে প্রয়োজনের নিরিখে খণ্ডিত কিংবা গুচ্ছাকারে সর্বাত্মক লকডাউন আরোপের সিদ্ধান্ত যৌক্তিক বলেই প্রতীয়মান।

ওয়ারেছ আলী খান

সদর, রংপুর

সাত জেলায় লকডাউন ঘোষণা করেছে সরকার। ফলে সার্বিক সুুুুফল না এলেও আংশিকভাবে কিছুটা সুফল বয়ে আনতে পারে; কিন্তু আমরা যদি স্বাস্থ্যবিধি না মেনে চলি তাহলে এই লকডাউন কোনো কাজে আসবে না।

সাদিয়া সুলতানা মাহি

সাভার, ঢাকা

করোনা ভাইরাস সংক্রমণের ভয়াবহতা নিয়ন্ত্রণে খণ্ড খণ্ড লকডাউনে সুফল মিললেও এবারের পরিস্থিতি অনেকটাই ভিন্ন। কারণ রাজধানীর সব খোলা রেখে তার নিকটবর্তী জেলা বা অঞ্চলগুলো কঠোর লকডাউনের আওতাভুক্ত হওয়ায় কর্মজীবী মানুষের দুর্ভোগ বেড়েছে। তাছাড়া গণপরিবহন, হাট-বাজার ও অন্যান্য ব্যস্ততম ক্ষেত্রে স্বাস্থ্যবিধি প্রতিপালনে উল্লেখযোগ্য নজরদারি নেই বললেই চলে।

আবু ফারুক

বনরুপাপাড়া, সদর, বান্দরবান

নতুন করে আবার করোনা বেড়ে যাওয়ায় শুরু হয়েছে বিস্তৃত অঞ্চল জুড়ে খণ্ড খণ্ড লকডাউন। উচিত ছিল পূর্ণ লকডাউন কিংবা আমাদের পরিপূর্ণ সতর্কতা ও স্বাস্থ্যবিধি মেনে চলা। কিন্তু জীবন-জীবিকার তাগিদে অনেক কিছুই পরিপূর্ণভাবে মানা সম্ভব হয় না। অবশ্য এর জন্য আমাদের অলসতা ও অনীহাও কম দায়ী নয়। তাই বলে এই খণ্ড খণ্ড লকডাউনের ফায়দা নাই, এ কথাও বলা যাবে না।

উবাইদুল্লাহ তারানগরী

ধোবাউড়া, ময়মনসিংহ

লকডাউনের সঙ্গে সঙ্গে দেশবাসীকে স্বাস্থ্যবিধি মানা- যেমন—টিকা নেওয়া, মাস্ক পরা, সামাজিক দূরত্ব বজায় রেখে চলা, নিয়মিত হাতমুখ ধোয়া, সুষম খাদ্য খাওয়া, ইত্যাদি অবশ্যই অনুসরণ করা একান্ত দরকার।

আলহাজ মো. হাফিজুল ইসলাম (হিফজু)

২ নম্বর সেক্টর, রাজশাহী

মানুষ তো লকডাউন মানছে না আগে থেকেই। অন্য দিকে স্বাস্থ্যবিধিও মানছে না। তবে আমাদের প্রত্যাশা, লকডাউন ও স্বাস্থ্যবিধি মানার ব্যাপারে সরকারের পক্ষ থেকে আরো বেশি কড়াকড়ি আইন প্রয়োগ করা হোক।

শিশির

পিলখানা, ঢাকা

খণ্ডিতভাবে বিভিন্ন জেলায় লকডাউন দেওয়া হচ্ছে; কিন্তু দূরপাল্লার বাস বন্ধ থাকা ছাড়া অন্য কোনো লক্ষণ দেখা যাচ্ছে না। মাস্ক পরার কোনো বালাই নেই। বেশির ভাগ মানুষই এটায় আমল দিচ্ছে না। তাই প্রত্যেক পরিবারের কর্তাব্যক্তিকে তাদের সদস্যদের সচেতন করতে হবে।

মাখরাজ খান

সাটুরিয়া, মানিকগঞ্জ

আমরা পত্রপত্রিকা/টিভিতে দেখতে পাচ্ছি— মানুষ বিকল্প গাড়িতে যাতায়াত করছে। স্বাস্থ্যবিধি মানার বালাই নেই, গাদাগাদি করে চলাচল করছে। তাহলে এই লকডাউন কতটুকু সুফল বয়ে আনবে? তাই আমরা মনে করি, সবার আগে প্রয়োজন স্বাস্থ্যবিধি মানার আইন ও তার কার্যকর ব্যবস্থা। তাহলে করোনা সংক্রমণ থেকে আমরা অনেকটা মুক্তি পাব।

সুলতানা জামান

মানিকনগর, ঢাকা

বতর্মান  দেশে  যে লকডাউন চলছে, এটা কোনো লকডাউন বলে আমার মনে হয় না। এটা একটা নাটক। কারণ আমরা মহামারি শুরুর সময় যে লকডাউন দেখেছিলাম এখন সেটা খুঁজে পাওয়া খুব কষ্টকর কাজ। দোকান মার্কেট খোলা, যানবাহন খোলা, নাই কোনো সামাজিক দূরত্ব। তাই প্রশাসনের কাছে আমার অনুরোধ, দেশ বাঁচান।  সেই সঙ্গে আমাদের সাধারণ মানুষকে আরো সচেতন  হবার জন্যা অনুরোধ  করছি।

মো. মিনহাজুল ইসলাম

কাউনিয়া, রংপুর

প্রয়োজনে আরো বেশি জেলায় নিষেধাজ্ঞা জারি করতে হবে। সামনে ঈদুল আজহা। কোরবানির হাটের বিষয়েও সংশ্লিষ্ট সবাইকে সতর্ক থাকতে হবে। করোনার বর্তমান সংকটকে ‘যুদ্ধাবস্থা’ হিসেবে নিয়ে এর মোকাবিলায় সমন্বিত ও সর্বাত্মক পদক্ষেপ নেওয়া হোক। বিচ্ছিন্ন ও বিক্ষিপ্ত কর্মসূচি দিয়ে এ সর্বগ্রাসী সংক্রমণ থামানো যাবে না বলেই আমি মনে করি।

মেনহাজুল ইসলাম তারেক

পার্বতীপুর, দিনাজপুর

ইতিপূর্বে দেশে সাধারণ ছুটি ঘোষণার মধ্য দিয়েই কার্যত লকডাউন শুরু হয়েছিল। কিন্তু তা যথেষ্ট কঠোরতার সঙ্গে বলবত্ হয়নি। বস্তুত এ কারণেই অঞ্চলভিত্তিক লকডাউনের পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে, অর্থাত্ যে এলাকায় করোনা ভাইরাসের সংক্রমণ বেশি সেই এলাকাকে অধিকতর কঠোর লকডাউনের আওতায় আনা হচ্ছে। এটা খুবই ভালো উদ্যোগ।

মো. জিল্লুর রহমান

গেন্ডারিয়া, ঢাকা

বর্তমানে করোনা ভাইরাস শহর ছাড়িয়ে  গ্রামে ছড়িয়ে পড়েছে, যা খুবই আশঙ্কাজনক। এই করোনা ভাইরাস রোধে দেওয়া হচ্ছে বিভিন্ন জায়গায় লকডাউন, যাতে এই ভাইরাস কিছুটা নিয়ন্ত্রণে থাকে। তবে সুফল পেতে হলে লকডাউন সুষ্ঠুভাবে মানতে হবে।

ফারজানা বিনতে মুরাদ ঈরা

মধুখালী, ঝিকরগাছা, যশোর

ভারতীয় ভ্যারিয়েন্ট এই লকডাউনের বৈধতার পিছনে বড় কারণ আমার মতে। জীবনযাত্রা স্থবির হবে সত্যিই, তবে জীবিকার চেয়ে জীবন বড়। ভ্যাকসিন গণহারে প্রয়োগ না হওয়া পর্যন্ত তাই খণ্ডকালীন লকডাউন চলতে পারে। যদিও সচেতনতা প্রতিরোধের বড় অস্ত্র হতে পারত, যদি বাঙালি বুঝত। যা করা সম্ভব হয়নি তার দায় এখন তো স্বাভাবিকভাবেই পুরো জাতিকে বহন করতে হবে।

অনন্য প্রতীক রাউত

শিক্ষার্থী, জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়

ঢাকার বাইরে গণপরিবহনসহ বিভিন্ন পরিবহনে স্বাস্থ্যবিধি মানা হচ্ছে না বললেই চলে। শপিংমল, দোকানপাট খোলা। দেশে সভা-সমাবেশ ও গণজমায়েতও নিয়মিত হচ্ছে। কোথাও স্বাস্থ্যবিধি মানা হচ্ছে না। খণ্ড খণ্ড লকডাউন করোনা নিয়ন্ত্রণে খুব বেশি কার্যকর হবে না বরং মানুষের দুর্ভোগ বাড়বে। করোনা নিয়ন্ত্রণে সুফল পেতে হলে খণ্ড খণ্ড লকডাউন নয়, স্বল্প সময়ের জন্য দেশ জুড়ে প্রয়োজন সর্বাত্মক লকডাউন।

কামরুজ্জামান

শ্রীপুর, গাজীপুর