স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদু-জ্জামান খান কামাল বলেছেন, জাতীয় পরিচয়পত্রের (এনআইডি) মূল কার্যক্রম আগারগাঁও থেকেই পরিচালিত হবে। সচিবালয় (স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়) থেকে কার্যক্রম তদারকি করা হবে। গতকাল বৃহস্পতিবার সচিবালয়ে পবিত্র ঈদুল আজহা উপলক্ষ্যে আইনশৃঙ্খলা সংক্রান্ত বৈঠক শেষে সাংবাদিকদের বিভিন্ন প্রশ্নের জবাবে তিনি এ কথা বলেন।
এনআইডি কার্যক্রম স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের হাতে এলে অধিদপ্তর করা হবে কি-না, জানতে চাইলে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, এনআইডির মূল কাজ ঐ দিকেই থাকবে। এখান থেকে মনিটরিং হবে। এনআইডি নিয়ে অনেকে অনেক বিতর্ক করছে। এটা তো এমন এক জিনিস ব্যাংকে অ্যাকাউন্ট খুলতেও এনআইডি লাগে, মোবাইলের সিম কিনতে লাগে, শনাক্ত করতেও লাগে। এনআইডির কার্যক্রম কবে নাগাদ স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের কাছে আসছে—জানতে চাইলে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, এটা তো অন্য প্রসঙ্গ। এনআইডি হস্তান্তরে সরকারিভাবে মাত্র সিদ্ধান্ত হয়েছে। এটি হস্তান্তরে লম্বা সময় লাগবে। আমাদের মন্ত্রণালয় একটা ব্যবস্থার মাধ্যমে কাজ শুরু করবে।
যেখানে সেখানে কোরবানির হাট
বসতে দেওয়া হবে না
আসাদুজ্জামান খান কামাল বলেন, আসন্ন কোরবানির ঈদকে সামনে রেখে দেশের কোথাও যেখানে সেখানে হাট বসতে দেওয়া হবে না। তিনি বলেন, করোনা ভাইরাসের সংক্রমণ পরিস্থিতি বিবেচনায় এবারও অনলাইনে পশু কেনাবেচায় মানুষকে উত্সাহিত করা হবে। গত বছরও আমরা দেখেছি অনলাইনে বেশ কেনাবেচা হয়েছে। এবারও আমরা এ পদ্ধতিকে উত্সাহিত করব। করোনা ভাইরাসের সংক্রমণ রোধে ধর্মবিষয়ক মন্ত্রণালয় এবং স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয় যে নির্দেশনা দেবে তা সকলকে মানতে হবে।
তিনি বলেন, সারা দেশে স্থায়ী ও অস্থায়ীভাবে পশুর হাটের নিরাপত্তা জোরদার করা হবে। হাটের নিরাপত্তায় অস্থায়ী পুলিশ ক্যাম্প স্থাপন করা হবে। হাটে জালনোট শনাক্তকরণ, অজ্ঞান পার্টি, মলম পার্টি যেন হাটে ভিড়তে না পারে তার ব্যবস্থা করা হবে। ব্যবসায়ীদের টাকা পরিবহনে পুলিশ সহযোগিতা করবে। ঈদের ছুটিতে বিভিন্ন পশুবাহী ট্রাক-নৌযান ঢাকায় আসবে, এসব ক্ষেত্রে চাঁদাবাজি বন্ধে নজরদারি থাকবে। রাস্তায় যেখানে সেখানে পশুবাহী যানবাহন থামতে পারবে না।
