আমতলী (বরগুনা) সংবাদদাতা
দীর্ঘদিন ধরে সংস্কার না করায় আমতলী উপজেলার চাওড়া খালের কাউনিয়া ও মহিষডাঙ্গা গ্রামের সংযোগ স্থাপনকারী লোহার সেতুটি বৃহস্পতিবার সন্ধ্যায় ধসে পড়ে। এতে ছয় গ্রামের সঙ্গে যোগাযোগ বিচ্ছিন্ন হয়ে পড়েছে। এতে ভোগান্তি পড়েছে প্রায় ২০ হাজার মানুষ।
আমতলী উপজেলা এলজিইডি কার্যালয় সূত্রে জানা গেছে, আমতলী সদর ইউনিয়ন ও চাওড়া ইউনিয়নের সংযোগ স্থাপনের জন্য ২০০২ সালে চাওড়া খালের চাওড়া ইউনিয়নের কাউনিয়া গ্রামের আহম্মদ মীরা ও আমতলী সদর ইউনিয়নের মহিষডাঙ্গা গ্রামের শামীম মালাকারের বাড়ির সামনে একটি লোহার সেতু নির্মাণ করা হয়। সেতুটি দীর্ঘদিন ধরে সংস্কার না হওয়ায় চলতি বছরের মে মাসে দেবে যায়। এ নিয়ে ইত্তেফাকে একটি প্রতিবেদনও প্রকাশিত হয়েছিল। সেতুটি দেবে যাওয়ার এক মাসের মাথায় বৃহস্পতিবার সন্ধ্যায় যাত্রী নিয়ে একটি অটো পার হওয়ার পর আকস্মিকভাবে ধসে পরে। ফলে আমতলী সদর ইউনিয়নের মহিষডাঙ্গা, পূর্ব মহিষডাঙ্গা, নাচনাপাড়ার একাংশ, হলদিয়া ইউনিয়নের হলদিয়া গ্রামের একাংশ, চাওড়া ইউনিয়নের কাউনিয়া ও চলাভাঙ্গা গ্রামের সংযোগ বিচ্ছিন্ন হয়ে পড়ে। সেতু ধসের কারণে এসব গ্রামের প্রায় ২০ হাজার মানুষের চলাচল বন্ধ হয়ে গেছে। সেতুটি পার হয়ে প্রতিদিন শত শত মানুষ আমতলী উপজেলা শহরে আসা-যাওয়া করে। স্থানীয় আবলু কালাম মিস্ত্রী জানান, সেতুটি ধসে যাওয়ায় আমরা অনেক ভোগান্তিতে আছি।
আমতলী সদর ইউনিয়নের চেয়ারম্যান মো. মোতাহার উদ্দিন মৃধা বলেন, চাওড়া খালের মহিষডাঙ্গা ও কাউনিয়া গ্রামের সংযোগ স্থাপনকারী সেতুটি ধসে পড়ায় দুই ইউনিয়নের ছয় গ্রামের প্রায় ২০ হাজার মানুষ চরম ভোগান্তিতেত পড়েছে। সেতুটি দ্রুত নির্মাণ করা প্রয়োজন। আমতলী উপজেলা এলজিইডির প্রকৌশলী আবদুল্লা আল মামুন জানান, সেতুটি ধসে পড়ার খবর পেয়েছি। পরিদর্শনের জন্য ঘটনাস্থলে লোক পাঠানো হয়েছে। লোহার সেতুর স্থলে গার্ডার সেতু নির্মাণ করা হবে। এজন্য বরাদ্দ চাওয়া হয়েছে। বরাদ্দ পাওয়া গেলে দ্রুত কাজ শুরু করা হবে।
