অনূদিত ঠাট্টা

আপডেট : ১৭ নভেম্বর ২০১৮, ১৯:২৫

 

মুহা. তাজুল ইসলাম

 

v স্বামী এবং স্ত্রীর মধ্যে ঝগড়া হওয়ায় কেউ কারো সাথে কথা বলছে না। এমন সময় কতগুলো ছাগল তাদের সামনে দিয়ে যেতে থাকলে স্বামী-স্ত্রীকে বলে বসল, এই যে দেখো, তোমার আত্মীয়রা যাচ্ছে।

স্ত্রী উত্তর দিলো, হ্যাঁ জানি তো। এগুলো আমার শ্বশুর বাড়ির দিক দিয়ে আত্মীয়।

v বস চিত্কার করে তার ম্যানেজারকে ডাক দিলেন, মোখলেস, এদিকে এসো, এখুনি।

জি স্যার?

—আমি তোমাকে লক্ষ করলাম যে তুমি আমাদের এক মহিলা কাস্টমারের সাথে তর্ক করছ। আমি তোমাকে আগেও বলেছি যে, কাস্টমার সব সময় সঠিক। মনে থাকবে?

—জি স্যার মনে থাকবে। কাস্টমার সব সময় সঠিক।

—তো তুমি কোন বিষয় নিয়ে কাস্টমারের সাথে তর্ক করছিলে?

—সে বলছিল তোমার বস একটা গাধা, উন্মাদ, পাগল এবং মানসিক রোগী।

—কী বলো? তুমি কি উত্তর দিলে?

আমি তাঁকে উত্তর দিলাম, জি ম্যাডাম, ঠিকই বলেছেন। আপনিই সঠিক।

 

v একদিন রাতে রেস্তোরাঁ থেকে টাই স্যুট পড়া এক ভদ্রলোক বের হচ্ছেন এমন সময় তার সামনে অস্ত্র উঁচিয়ে এক ছিনতাইকারী বলে উঠল, আপনার কাছে যে টাকা পয়সা আছে, সেটা দিয়ে দেন।

এই কথা শুনে ভদ্রলোকটি উত্তর দিলেন, তুমি আমার সাথে এমনটি করতে পারো না। আমি একজন রাজনীতিবিদ। দুইবার মন্ত্রী ছিলাম।

এই কথা শুনে ছিনতাইকারী উত্তর দিল, এই ক্ষেত্রে আপনার কাছে আমার যে টাকা-পয়সা আছে, সেটা দিয়ে দেন।

 

v শিক্ষক ক্লাসে ছাত্রদেরকে বলছেন, তোমাদের মধ্যে যে সবচেয়ে বেশি অলস, তাকে আজকের জন্য ছুটি দেওয়া হবে। কে সবচেয়ে অলস, হাত তোলো।

এই কথা শুনে মোখলেস ছাড়া সবাই হাত তুলল।

এই দেখে ম্যাডাম মোখলেসকে জিজ্ঞাসা করলেন, তুমি হাত তুললে না যে!

মোখলেস হাই তুলতে তুলতে উত্তর দিলো, এটি অনেক কষ্টের একটি কাজ। তাই।

 

v স্বামী স্ত্রীকে বলছে, শুনলাম তুমি নাকি সবাইকে বলে বেড়াচ্ছ আমি নাকি একটা পাগল?

স্ত্রী উত্তর দিলো, দুঃখিত। আমি জানতাম না যে এটা এখনো গোপন আছে।

 

v শিক্ষিকা :যদি আমি তোমাকে দুটো বিড়াল এরপর দুটো বিড়াল তারপর আরও দুটো বিড়াল দিই, তবে সব মিলিয়ে তোমার কয়টা বিড়াল হবে?

ছাত্র :সাতটা।

শিক্ষিকা :না, হয়নি। খেয়াল করে শোনো, আমি তোমাকে যদি দুটো বিড়াল এরপর দুটো বিড়াল তারপর আরো দুটো বিড়াল দিই, তবে সব মিলিয়ে তোমার কয়টা বিড়াল হবে?

ছাত্র :সাতটা।

শিক্ষিকা :ঠিক আছে, বিষয়টি তোমাকে ভিন্নভাবে বুঝাই। মনে করো, আমি তোমাকে যদি দুটো আপেল, এরপর দুটো আপেল তারপর আরো দুটো আপেল দিই, তবে সব মিলিয়ে তোমার কয়টা আপেল হবে?

ছাত্র :ছয়টা ম্যাডাম।

শিক্ষিকা :চমত্কার। এবার বলো তো আমি তোমাকে যদি দুটো বিড়াল এরপর দুটো বিড়াল তারপর আরো দুটো বিড়াল দিই, তবে সব মিলিয়ে তোমার কয়টা বিড়াল হবে?

ছাত্র :সাতটা।

শিক্ষিকা এবার বিরক্ত হয়ে বলল, কীভাবে সাতটা হবে? বুঝাও।

ছাত্র উত্তর দিলো, কারণ বাসায় আমার অলরেডি আরেকটা বিড়াল আছে।

 

v অফিসের ম্যানেজার তার সহকর্মীদের বললেন, আপনাদের মধ্যে যে সবচেয়ে কাজে ফাঁকিবাজ সে দাঁড়িয়ে থাকুন আর বাকিরা সবাই বসুন। এই কথা শুনে অফিসের সকল সহকর্মী বসে পড়ল এক পিয়ন ছাড়া। এটা দেখে ম্যানেজার একটু উত্তেজিত হয়ে বলে বসল, তুমিই কি তাহলে অফিসের সবচেয়ে বড় ফাঁকিবাজ?

পিয়ন উত্তর দিলো, আসলে স্যার আমি চাইনি সবার মধ্যে আপনিই একমাত্র এখানে দাঁড়িয়ে থাকেন।

 

v মানসিক হাসপাতালের ডাক্তার তার তেইশজন রোগীদের পরীক্ষা করার জন্য দেয়ালে কলমের কালি দিয়ে দরজা এঁকে বললেন, তোমাদের মধ্যে যারা সুস্থ, তারা এই দরজা দিয়ে বের হয়ে যেতে পারবে। এটা দেখে বাইশ জন রোগী দরজা দিয়ে দৌড় দিয়ে বের হতে যেয়ে প্রত্যেকেই কম বেশি ব্যাথা পেল কিন্তু একজন একটুও নড়ল না। সে চেয়ারে বসে এগুলো দেখে মিটিমিটি হাসছিল। তার এই আচরণ  দেখে মেডিকেল টিম তাকে সুস্থ মনে করে ছেড়ে দেবার সিদ্ধান্ত নিলো।

ডাক্তার :আচ্ছা, তুমি নিশ্চয় বুঝতে পেরেছ যে দরজা দিয়ে বের হওয়া যাবে না?

মানসিক রোগী :আমি না বুঝলে কে বুঝবে? আমি আগে থেকেই সন্দেহ করেছিলাম যে এই দরজা দিয়ে ওরা পালানোর চেষ্টা করতে পারে। কেউ তো জানেই না যে আমি সেই লোক যে দরজা আগে থেকেই তালা মেরে চাবি লুকিয়ে রেখেছিলাম।

 

v একদিন ব্যাংকে ডাকাতি করার সময় ডাকাতের মুখোশ সরে গেলে সে সেটা ঠিক করে তার সামনে থাকা প্রথম ভদ্র লোককে জিজ্ঞাসা করল, আমার চেহারা কি আপনি দেখে ফেলেছেন?

ভদ্র লোকটি উত্তর দিলেন, হ্যাঁ।

সঙ্গে সঙ্গে  ডাকাত লোকটিকে গুলি করে হত্যা করল।

এরপর দ্বিতীয় লোকটিকে ডাকাত একই প্রশ্ন করলে সেও একই উত্তর দিলে তাকেও হত্যা করা হলো।

এরপর তৃতীয় ব্যক্তির সামনে এসে ডাকাত প্রশ্ন করল, তাহলে আপানিও নিশ্চয় আমার চেহারা দেখে ফেলেছেন?

তখন তৃতীয় ব্যক্তি উত্তর দিলো, আমি আপনাকে দেখি নাই তবে আমার স্ত্রী দেখেছে। যা করার জলদি করেন!

ঠিকানাবিহীন