রাফাত আল নোমান
এইচএসসি পাশের পর একজন শিক্ষার্থীকে উচ্চশিক্ষা তথা কর্ম উপযোগী শিক্ষায় মনোনিবেশ করতে হয়। চতুর্থ শিল্প বিপ্লবের এই যুগে জ্ঞান, বিজ্ঞানে ও তথ্য প্রযুক্তিতে সমৃদ্ধ প্রফেশনালদের চাহিদা সবচেয়ে বেশি। বর্তমান মুক্ত বাজার অর্থনীতির যুগে তথ্য-প্রযুক্তি শিক্ষার পাশাপাশি ব্যবসায় শিক্ষা বিষয়ের ব্যাপক চাহিদা রয়েছে।
বাংলাদেশে দু’ধরনের বিবিএ কোর্স রয়েছে। একটি একাডেমিক ও অন্যটি প্রফেশনাল। সকল পাবলিক ও প্রাইভেট বিশ্ববিদ্যালয়ে একাডেমিক বিবিএ/ সিএসই (অনার্স) পড়ানো হয়। শুধু ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের আইবিএতে বিবিএ এবং জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ে প্রফেশনাল বিবিএ/ সিএসই পড়ানো হয়, যেখানে অনার্স কোর্স শেষে তিন মাসব্যাপী শিক্ষার্থীরা ইন্টার্ণশিপ করার সুযোগ পেয়ে থাকে। ফলে কর্মক্ষেত্রে প্রবেশের আগেই ব্যবহারিক ও প্রায়গিক অভিজ্ঞতায় সমৃদ্ধ হন তারা। এই কোর্সে কোন সেশন জট নেই এবং নির্দিষ্ট সময়ের বাইরে বেশি সময় ব্যায় করতে হয় না। তাই বর্তমানে প্রফেশনাল বিবিএ/ সিএসই পড়ার প্রতি শিক্ষার্থী ও অভিভাকদের আগ্রহ উত্তরোত্তর বৃদ্ধি পাচ্ছে।
চতুর্থ চতুর্থ শিল্প বিপ্লবের এই যুগে প্রয়োজন ইন্ডাস্ট্রি-একাডেমিয়া লিংকেজ, যার ফলে শিক্ষার্থীরা একাডেমিক শিক্ষার পাশাপাশি বাস্তবিক কাজের অভিজ্ঞতা লাভ করতে পারে। ড্যাফোডিল শিক্ষা পরিবার পরিচালিত এমিনেন্স কলেজ এ জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের অধীনে ৪ বছর মেয়াদি কম্পিউটার সায়েন্স অ্যান্ড ইঞ্জিনিয়ারিং (সিএসই) ও ব্যাচেলর অব বিজনেস এডমিনিস্ট্রেশন (বিবিএ) বিষয়ে পড়ার সুযোগ রয়েছে যেখানে অধ্যয়নরত শিক্ষার্থীরা শিল্পের চাহিদা অনুযায়ী শিক্ষা ও দক্ষতা উন্নয়ন এর প্রশিক্ষণ পেয়ে থাকে, যার ফলে শিক্ষার্থীদের শিক্ষা জীবন শেষে কর্মক্ষেত্রে সফলতার হার বেশি।
ড্যাফোডিল শিক্ষা পরিবার তথা এমিনেন্স কলেজ এ রয়েছে অভিজ্ঞ শিক্ষকমন্ডলী, নিজস্ব সুবিশাল ক্যাম্পাস, সমৃদ্ধ লাইব্রেরি, সর্বাধুনিক কম্পিউটার ল্যাব, রিসার্চ ল্যাব, ইনোভেশন সেন্টার ও আধুনিক শ্রেণিকক্ষ। এসব সুবিধার কারণে শিক্ষার্থীরা তত্ত্বীয় জ্ঞানার্জনের পাশাপাশি হাতে-কলমে সবকিছু শিখতে পারে। তথ্যপ্রযুক্তির যুগে শুধু সার্টিফিকেট দিয়ে চাকরি বা ক্যারিয়ার গড়া যায় না, দরকার হয় তত্ত্বীয় জ্ঞানের প্রায়োগিক দক্ষতা। এই বিষয়ে আরও বিস্তারিত জানতে এই ০১৭১৩৪৯৩২৩৩ নম্বরে যোগাযোগ করতে পারেন।
প্রতি সেমিস্টারে বিপুল পরিমাণ অর্থ ওয়েভার প্রদানের মাধ্যমে শিক্ষার্থীদের নির্বিঘ্ন শিক্ষা নিশ্চিত করা হয়। মহামারীর এই সময়ে ২০-২৫% অতিরিক্ত বিশেষ বৃত্তি প্রদান করা হয়। এছাড়াও ট্যালেন্ট স্কালারশিপের মাধ্যমে আর্থিকভাবে অসচ্ছল ও মেধাবী শিক্ষার্থীদের শতভাগ বৃত্তি প্রদান করা হয়। উচ্চ মাধ্যমিক বা সমমান পরীক্ষায় মেধাস্থান অর্জনকারী শিক্ষার্থীদের সর্বোচ্চ ১০০% বৃত্তি প্রদান করা হয়। সেমিস্টার ফাইনাল পরীক্ষায় জিপিএ অর্জনকারী শিক্ষার্থীরা ১০% থেকে ৫০% পর্যন্ত বৃত্তি পেয়ে থাকে। এছাড়া সহোদর, স্বামী-স্ত্রী, মুক্তিযোদ্ধা কোটা, খেলোয়ার, জাতিগত গোষ্ঠি শিক্ষার্থীদের জন্য সর্বোচ্চ ১০০% পর্যন্ত বৃত্তি প্রদান করা হয়। চলতি ২০২০-২১ শিক্ষাবর্ষে প্রফেশনাল বিবিএ/ সিএসই (অনার্স) প্রোগ্রামে সীমিত সংখ্যক আসনে ভর্তি প্রক্রিয়া চলমান রয়েছে।
