যত বাধা আসুক মার্চেই কার্যকর হবে ব্রেক্সিট

আপডেট : ০৩ ফেব্রুয়ারি ২০১৯, ২২:৩১

ব্রিটিশ প্রধানমন্ত্রী থেরেসা মে বলেছেন, যত বাধাই আসুক না কেন তিনি যেভাবে প্রতিশ্রুতি দিয়েছেন সেভাবে মার্চের মধ্যেই ইউরোপীয় ইউনিয়ন থেকে বেরিয়ে যাবার চুক্তি বা ব্রেক্সিট কার্যকর করবেন। এ ব্যাপারে তিনি বর্তমানে সব পক্ষের সঙ্গে প্রয়োজনীয় আলোচনা ও চুক্তি চালিয়ে যাচ্ছেন।  দ্য সানডে টেলিগ্রাফে এক কলামে এ কথা বলেছেন মে।

‘নতুন দাবি, নতুন পরিকল্পনা এবং পুনরায় দৃঢ়সংকল্প’ নিয়ে ইউরোপীয় ইউনিয়নের নেতাদের সঙ্গ আলোচনা করতে যাবেন জানিয়ে মে লেখেন, ব্রেক্সিট চুক্তি নিয়ে ইউ নতুন করে আলোচনা করবে না। দীর্ঘ ৩০ বছরের সংঘাতের অবসান ঘটিয়ে নর্দান আয়ারল্যান্ডে শান্তি ফিরিয়ে আনতে ১৯৯৮ সালের এপ্রিলে বেলফাস্ট চুক্তি সাক্ষর হয়েছিল। এই চুক্তির অধীনেই নর্দার্ন আয়ারল্যান্ডের বর্তমান সরকার ব্যবস্থা পরিচালিত হচ্ছে। নর্দার্ন আয়ারল্যান্ড এবং স্বাধীন রিপাবলিক অব আয়ারল্যান্ডের মধ্যে সম্পর্ক কেমন হবে তা এই চুক্তির মাধ্যমে নির্ধারিত হয়েছে। রিপাবলিক অব আয়ারল্যান্ডের সঙ্গে যুক্তরাজ্যের সম্পর্কও এই চুক্তি দ্বারা নির্ধারিত।

মে আরো লেখেন, ব্রেক্সিটের পর ইইউর সঙ্গে যুক্তরাজ্যের একমাত্র সীমান্ত এই আইরিশ বর্ডার। স্বাভাবিকভাবেই সম্পর্কোচ্ছেদের পর সীমান্ত ব্যবস্থা কেমন হবে তা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ হয়ে উঠেছে। যুক্তরাজ্যের অংশ নর্দান আয়ারল্যান্ড এবং ইইউ সদস্য রিপাবলিক অব আয়ারল্যান্ড উভয়ই বিচ্ছেদের পরও সীমান্ত ব্যবস্থায় কড়াকড়ি চাইছে না। তারা ‘গুড ফ্রাইডে চুক্তি’ অনুযায়ী চলতে চাইছে।

মে বলেন, ব্যাকস্টপ নিয়ে বিকল্প যে পরিকল্পনার কথা ভাবা হচ্ছে সেটা ‘গুড ফ্রাইডে চুি্ক্তর সঙ্গে সাংঘর্ষিক হবে না’।  অন্যদিকে কনভেনি বলেন, ‘বিকল্প ব্যবস্থায় এমন কিছু নেই যেটা কড়া সীমান্ত ব্যবস্থাকে এড়াতে দেবে। অথচ ব্যাকস্টপ নিয়ে নিশ্চিত ব্যবস্থা প্রয়োজন।’

উল্লেখ্য, পূর্ব নির্ধারিত সময় অনুযায়ী আগামী ২৯ মার্চের মধ্যে যুক্তরাজ্যকে ইইউ ছাড়তে হবে। অথচ এখনও কোনো ব্রেক্সিট চুক্তি হয়নি। যুক্তরাজ্য কোনো চুক্তি ছাড়া সম্পর্কোচ্ছেদ করতে চাইছে না। তাই কয়েকজন এমপি ব্রেক্সিটের সময় বাড়ানোর পরামর্শ দিয়েছেন। তবে প্রধানমন্ত্রী মে বলেছেন, আর সময় নিতে রাজি নন।