২০৩০ সালের মধ্যে কয়েক শ কোটি মানুষ নিরাপদ পানি ও পরিচ্ছন্নতা সেবা বঞ্চিত হবে

আপডেট : ০৪ জুলাই ২০২১, ০০:১৯

সর্বশেষ তথ্য অনুযায়ী, বিশ্ব জুড়ে প্রতি ১০ জনের মধ্যে তিন জন কোভিড-১৯ মহামারি চলাকালে বাড়িতে সাবান ও পানি দিয়ে হাত ধুতে পারেনি। তাই অগ্রগতি চার গুণ না হলে ২০৩০ সালের মধ্যে কয়েক শ কোটি মানুষ নিরাপদ পানি, স্যানিটেশন ও পরিচ্ছন্নতা সেবা থেকে বঞ্চিত হবে বলে সতর্ক করে দিয়েছে বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা ডব্লিউএইচও এবং জাতিসংঘ শিশুবিষয়ক তহবিল ইউনিসেফ। গত ১ জুলাই ডব্লিউএইচও ও ইউনিসেফের নতুন এক প্রতিবেদনে এ কথা বলা হয়েছে।

প্রতিবেদনে বলা হয় ২০২০ সালে প্রতি চার জনের মধ্যে একজনের বাড়িতে উন্নত উেসর খাবার পানির এবং বিশ্বের প্রায় অর্ধেক জনসংখ্যার নিরাপদ স্যানিটেশন সুবিধার অভাব ছিল। বাংলাদেশে ৬ কোটি ৮৩ লাখ মানুষের উন্নত উেসর খাবার পানির এবং ১০ কোটি ৩০ লাখ মানুষের নিরাপদ স্যানিটেশন সুবিধার অভাব রয়েছে। কোভিড-১৯ মহামারিটি প্রত্যেকে যাতে হাত পরিষ্কার রাখার সুযোগ পায় তা নিশ্চিত করার জরুরি প্রয়োজনটিকে তুলে ধরেছে। মহামারি শুরুর দিকে বিশ্বব্যাপী প্রতি ১০ জনের মধ্যে ৩ জনের বাড়িতে সাবান ও পানি দিয়ে হাত ধোয়ার সুযোগ ছিল না।

ডব্লিউএইচওর মহাপরিচালক ড. টেড্রস আধ্যানম ঘেব্রেইয়েসুস বলেন, ‘কোভিড-১৯ এবং অন্যান্য সংক্রামক রোগের বিস্তার রোধ করার অন্যতম কার্যকর উপায় হচ্ছে হাত ধোয়া, যদিও বিশ্ব জুড়ে কোটি কোটি মানুষের নির্ভরযোগ্য, নিরাপদ পানিপ্রাপ্তির সুযোগ নেই। আমাদেরকে যদি এই মহামারির সমাপ্তি ঘটাতে হয় এবং আরো স্থিতিস্থাপক স্বাস্থ্য ব্যবস্থা গড়ে তুলতে হয়, তবে পানি, স্যানিটেশন ও পরিচ্ছন্নতা সেবার পেছনে বিনিয়োগ করাকে বৈশ্বিকভাবে অবশ্যই অগ্রাধিকার দিতে হবে।

ইউনিসেফের নির্বাহী পরিচালক হেনরিয়েটা ফোর বলেন, এমনকি মহামারির আগেও লাখ লাখ শিশু ও পরিবার পরিষ্কার পানি, নিরাপদ স্যানিটেশন এবং হাত ধোয়ার জায়গার সংকটে ভুগেছে। এখন পর্যন্ত এই জীবন রক্ষাকারী পরিষেবাগুলো জোরদার করার জন্য আমাদের দারুণ অগ্রগতি সত্ত্বেও উদ্বেগজনক ও ক্রমবর্ধমান চাহিদা আমাদের সাড়া দেওয়ার সক্ষমতাকে ছাপিয়ে যাচ্ছে।