ঐতিহাসিক সফরে আমিরাতে পোপ

আপডেট : ০৪ ফেব্রুয়ারি ২০১৯, ২১:২৬

বিবিসি ও রয়টার্স

ক্যাথলিক খ্রিস্টানদের সর্বোচ্চ ধর্মগুরু হিসেবে প্রথমবারের মতো আরব উপদ্বীপ সফরে গিয়েছেন পোপ ফ্রান্সিস। ইয়েমেন যুদ্ধের বিষয়ে কঠোর নিন্দা জানানোর কয়েক ঘণ্টা পর রবিবার রাতে তিনি ওই যুদ্ধে জড়িত আরব আমিরাতের (ইউএই) মাটিতে পা রাখেন।

আবুধাবিতে পোপ ফ্রান্সিসকে স্বাগত জানান ক্রাউন প্রিন্স শেখ মোহাম্মদ বিন জায়িদ আল নাহিয়ান। তিনি পোপকে সঙ্গে করে মিসরের আল আজহার মসজিদ ও বিশ্ববিদ্যালয়ের গ্রান্ড ইমাম শেখ আহমেদ আল তৈয়বের কাছে নিয়ে যান। সাক্ষাতে পোপ ও গ্রান্ড ইমাম পরস্পরকে আলিঙ্গন করেন। সোমবার পোপের সঙ্গে ক্রাউন প্রিন্স শেখ মোহাম্মদ ও গ্রান্ড ইমাম শেখ আহমেদ বৈঠক করার কথা রয়েছে।

পোপ ফ্রান্সিস আবুধাবির উদ্দেশে রওনা হওয়ার কিছুক্ষণ আগে ভ্যাটিকান সিটিতে রবিবাসরীয় ভাষণে বলেন, অত্যন্ত উদ্বেগের সঙ্গে তিনি ইয়েমেনের মানবিক সংকটের দিকে নজর রাখছেন। ইয়েমেনের লাখ লাখ ক্ষুধার্ত লোকের জন্য ত্রাণ সহায়তা সরবরাহে সাহায্য করতে ও শান্তি চুক্তি মেনে চলতে সব পক্ষের প্রতি আহ্বান জানান তিনি। সেন্ট পিটার্স স্কয়ারে জমায়েত হওয়া লাখো মানুষের উদ্দেশে তিনি বলেন, ‘এই শিশুদের ও তাদের পিতামাতাদের কান্না ঈশ্বরের কাছে পর্যন্ত চলে গেছে। আসুন আমরা জোরালোভাবে প্রার্থনা করি, কারণ তারা শিশু যারা ক্ষুধার্ত, তারা তৃষ্ণার্ত, তাদের ওষুধ নেই আর তারা মৃত্যুর বিপদের মধ্যে আছে।’

ইয়েমেন বিষয়ে পোপের বার্তাকে স্বাগত জানিয়েছে ইউএই এবং যে শান্তিচুক্তির উল্লেখ পোপ করেছেন তা ফলপ্রসূ হওয়ার কথা ‘তাদের বিশ্বাস’ বলে এক টুইটে জানিয়েছেন দেশটির পররাষ্ট্রমন্ত্রী আনওয়ার গারগাশ। পোপ আবুধাবিতে নামার পর গারগাশ বলেন, ‘আসুন এর বাস্তবায়ন নিশ্চিত করি আমরা এবং ২০১৯-কে ইয়েমেনের শান্তিবর্ষতে পরিণত করি।’