ব্যবসায়ীকে মারধরের ঘটনায় পুলিশ সদস্য প্রত্যাহার

আপডেট : ১০ জুলাই ২০২১, ২৩:৪৭

সিংগাইর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) রুনা  লায়লাকে আপা বলায় এক ব্যবসায়ীকে পিটিয়ে আহত করার ঘটনায় ওই পুলিশ সদস্যকে মানিকগঞ্জ জেলা পুলিশ লাইনে প্রত্যাহার করা  হয়েছে।


জেলা পুলিশ সুপার রিফাত রহমান শামিমের নির্দেশে শনিবার তাকে  প্রত্যাহার করা হয় বলে সহকারী পুলিশ সুপার সিংগাইর সার্কেলের রেজাউল হক বিষয়টি নিশ্চিত করেন। 

তিনি বলেন, ইউএনওর নির্দেশেই ওই ব্যবসায়ীকে মারধর করেছে এটা সত্য। আদালত কাউকে মারধর করার নির্দেশ দিতে পারে না। পাবলিকের গায়ে হাত দেওয়ার কারণেই  পুলিশ সুপার তাকে মৌখিকভাবে প্রত্যাহার করেছে। 

গত বৃহস্পতিবার বিকেল সাড়ে পাঁচটার  দিকে উপজেলার ধল্লা ইউনিয়নের  জায়গীর বাজার বাসস্ট্যান্ডে দোকান খোলার অপরাধে  ভ্রাম্যমাণ আদালত  জমন্টপ গ্রামের ব্যবসায়ী তপন দাসকে ২ হাজার টাকা জরিমানা করে। এ সময় তপন দাস আদালতের ম্যাজিস্ট্রেট উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা রুনা লায়লাকে  স্যার না বলে  আপা বলে সম্বোধন করে ক্ষমা চান। এ সময় এক পুলিশ সদস্য তপন দাসকে মারধর করেন।

তবে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা  রুনা লায়লা বলেন, আপা বলার জন্য মারধর করা হয়নি। তার খোলা দোকানে লোকজন ছিল তাই তাকে মারধর করা হয়েছে এবং জরিমানা আদায় করা হয়েছে। 

পৌরসভার মেয়র আবু নাঈম মো. বাশার বলেন, করোনাকালে গরিব লোকেরা ৩৩৩ নম্বরে ফোন করে ত্রাণ চেয়ে ওনার দ্বারা অপমানিত হয়।  অথচ ওনার হেফাজতে রাখা সরকারি ত্রাণ সামগ্রী পঁচে নষ্ট হয়ে গেলো।  সেটার সঠিক তদন্ত হওয়া দরকার ছিল। 

 

ইত্তেফাক/ইউবি