অবশেষে ভাণ্ডারিয়ার দশআনি পুকুর সংস্কারের উদ্যোগ

আপডেট : ১২ জুলাই ২০২১, ০০:৪২

ভাণ্ডারিয়া (পিরোজপুর) সংবাদদাতা

পিরোজপুরের ভাণ্ডারিয়া পৌর শহরের প্রাণকেন্দ্রে অবস্থিত দশআনি পুকুর নামে খ্যাত জলাশয়টি সরকারের সম্পত্তি হিসেবে সংস্কার করে অতীতের ন্যায় পুকুরের পানি ব্যবহার উপযোগী এবং সৌন্দর্য বর্ধনের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। গতকাল শনিবার বিকালে পিরোজপুর জেলা প্রশাসনের পক্ষে পুকুরটির পাড়ে একটি সাইনবোর্ড টাঙান উপজেলা সহকারী কমিশনার ভূমি মো. তৌহিদুল ইসলাম। সাইনবোর্ডে দেখা যায় এই সম্পত্তির মালিক গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকারের পক্ষে জেলা প্রশাসক পিরোজপুর।

তফসিল বর্ণিত সম্পত্তির পরিচয়, মৌজা ভাণ্ডারিয়া, জে এল নং-২১, খতিয়ান নং-০১, দাগ নং ১৪৯০, দাগের শ্রেণি পুকুর, জমির পরিমাণ ৪২.৪০ শতক, দাগ নং ১৪৯১, জমির শ্রেণি পুকুর পাড়, জমির পরিমাণ ২.৭০ শতক। এদিকে সাইনবোর্ডটি দেখার পর সাধারণ মানুষের মধ্যে মিশ্র প্রতিক্রিয়া সৃষ্টি হয়েছে। কারণ পুকুরটির পাড়ে গড়ে ওঠা অনেক পাকা ভবন এই জমির মধ্যে রয়েছে বলেও তারা উল্লেখ করেন। অন্যদিকে সাইনবোর্ড টাঙানোর সময় সহকারী কমিশনার ভূমি জানান, এটি সংস্কার করে আবাসিক বাসাবাড়িতে পুকুরের পানি ব্যবহার উপযোগী করা হবে। এছাড়াও শুনেছি এ পুকুরটির পানি দিয়ে পূর্বে মানুষ গোসল করত, সংলগ্ন আবাসিক বাসাবাড়িতে রান্না-বান্নার কাজে পানি ব্যবহার করত, তাছাড়া মুসুল্লিরা নামাজের সময় ওজু করত, পাশে হিন্দুধর্মাবলম্বীরা ধর্মীয় আচার পালনেও এ পুকুরের পানি ব্যবহার করত।

উল্লেখ্য, ভাণ্ডারিয়া বাজারে প্রায় ২২ বার ভয়াবহসহ ছোটখাট অগ্নিসংযোগ নির্বাপণে এই পুকুরের পানিই ছিল একমাত্র ভরসা।