মার্কিন প্রেসিডেন্ট জো বাইডেনের সিদ্ধান্ত অনুযায়ী আফগানিস্তান থেকে সেনা প্রত্যাহার করে নিচ্ছে যুক্তরাষ্ট্র। তারা সেখান থেকে চলে আসলে চীন নিজেদের কর্তৃত্ব বিস্তার করার চেষ্টা করবে। এমনটিই মনে করেন মার্কিন ভূ-রাজনৈতিক বিশেষজ্ঞ গর্ডন চ্যাং।
শক্তিশালী শক্তিকে রুখে দেওয়ার ইতিহাস আফগানিস্তানের আছে। ১৮৪২ সালে তারা শক্তিধর ব্রিটিশ বাহিনীকে প্রবেশ করতে দেয়নি। সাবেক সোভিয়েত ইউনিয়নও আফগানিস্তানে প্রবেশ করতে ব্যর্থ হয়েছে। মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র সেখানে ২ যুগ থাকার পর ফিরে আসছে। প্রেসিডেন্ট জো বাইডেন ঘোষণা দেওয়ার পর ইতিমধ্যে সেখান থেকে মার্কিন সেনাদের সরানোর কাজ চলছে। শুধু অল্প কিছু সংখ্যক সেনা রাখা হবে আফগানিস্তানের মার্কিন দূতাবাসকে নিরাপত্তা দেওয়ার জন্য।

গর্ডন চ্যাংয়ের মতে, যুক্তরাষ্ট্র আফগানিস্তান ছেড়ে আসার পর চীন সেখানে প্রবেশ করার চেষ্টা করবে। কারণ সেখানে তাদের যথেষ্ট রাজনৈতিক ও বাণিজ্যিক স্বার্থ জড়িত আছে। বেইজিংয়ের জন্য আফগানিস্তান গুরুত্বপুর্ণ ভূ-রাজনৈতিক এলাকা। কারণ দেশটির মাধ্যমে তারা আরব সাগর পর্যন্ত চীনা সেনাদের পাঠাতে পারবে। তাছাড়া আফগানিস্তানে বিস্তার করতে পারলে মধ্যপ্রাচ্যেও প্রভাব রাখার চেষ্টা করতে পারবে চীন।
তিনি বলেন, চীন বেশি দুশ্চরিত্রের অধিকারী। আমার মতে আফগানিস্তানে তারা তাদের লক্ষ্য হাসিল করার ভালো সুযোগ পাবে। তবে ভালো সুযোগ পাওয়া মানেই যে তারা সাফল্য পেয়ে যাবে এমন না। আমার মতে তাদের ধীরগতির কারণে তারা সেই লক্ষ্যে অসফল হবে।
ইত্তেফাক/টিআর
