ক্যাম্পাসের গল্প

স্মৃতির ক্যাম্পাসে

আপডেট : ০৫ ফেব্রুয়ারি ২০১৯, ১৮:৫১

‘তোরা ছিলি, তোরা আছিস, জানি তোরাই থাকবি.... বন্ধু...।’ এই হূদয় ছুঁয়ে যাওয়া গানকে আকড়ে ধরে বন্ধুত্বের বন্ধনকে আরো দৃঢ় করার প্রয়াসে রঙ্গসাজে আনন্দ কুঁড়িয়েছি আমরা দেশের দ্বিতীয় বৃহত্তম বিদ্যাপীঠ রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের ঐতিহ্যবাহী মতিহার হলের ২০১৪-২০১৫ ব্যাচের শিক্ষার্থীবৃন্দ। প্রাণের ক্যাম্পাসে আমাদের ব্যাচের পদচারণা হয়েছিল সেই ২০১৫ সালে। ইতোমধ্যে কালের গহব্বরে হারিয়ে গেছে চারটি বছর। শুধু রেখে গেছে নিংড়ানো কিছু স্মৃতি যা ক্যাম্পাসের প্রতি মায়া ও ভালোবাসা আরো বাড়িয়ে দেয়। তাই ভালোবাসার সুরের সাথে সুর মিলিয়ে ভ্রাতৃত্বের বন্ধনে আবদ্ধ হয়ে এক প্রাণ মিলেছে অন্য প্রাণে। মতিহার হলে আমাদের ব্যাচের শিক্ষার্থীদের মধ্যে আন্তরিকতার অভাব নেই। আনন্দ, হাসি-খুশিতেই কেটে যায় আমাদের দিনগুলো। কারও সাহায্য লাগলে বা কেউ অসুস্থ হলে সহযোগিতার কমতি হয় না। অকস্মাত্ আমরা চিন্তা করলাম একটি অনুষ্ঠান আয়োজনের। যাতে করে সম্পর্কের ধার আরো বেড়ে যায়। যেই বলা সেই কাজ। অনুষ্ঠান আয়োজনের ব্যবস্থাপনা কমিটির আহ্বায়ক করা হলো সংস্কৃত বিভাগের শিক্ষার্থী ও প্রাণপ্রিয় পরিশ্রমী বন্ধুবর সৌরভ কুমার কিষাণকে। আমি, সবুজ, সোহানসহ আরো কয়েকজনের মতামতের ভিত্তিতে কাজ শুরু হলো। শুরুতেই সবার কাছ থেকে টাকা উত্তোলন করে টিশার্ট তৈরি করা হলো কয়েকজনের মতামতের ভিত্তিতে যা ছিল সকলের কাছে পছন্দনীয়।

তারপরেই শুরু অনুষ্ঠান আয়োজনের। আমি, কৃষাণ, শুভ, সোহান ও লিটন মিলে হলের প্রভোস্ট স্যারসহ সবাইকে দাওয়াত দিয়ে সকাল সকাল রওনা হয়ে পড়লাম বাজারের দিকে। অত্যন্ত দ্রুততার সাথে বাজার করে সবাই হলে ফিরলাম কারণ বিকালে ফটোসেশনের পালা। রুমে এসে একটু বিশ্রাম নিয়েই বেড়িয়ে পড়তে হলো ক্যাম্পাসে। তখন বিকাল ৪টা ছুঁই ছুঁই, সবাই হল গেটে চলে আসলে একসাথে চললাম ক্যাম্পাসের পথে।