সিরাজগঞ্জের তাড়াশে চারতলা বিশিষ্ট কামারশোন সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় কাম বন্যা আশ্রয়ণ কেন্দ্র নির্মাণে ধীরগতির অভিযোগ উঠেছে। এ কারণে নির্ধারিত সময়ের মধ্যে কাজ শেষ করা সম্ভাবনা নেই বলে মনে করছেন স্থানীয়রা।
ঢাকাস্থ দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা অধিদপ্তর সূত্রে জানা গেছে, দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা অধিদপ্তরের অধীনে বন্যা আশ্রয়ণ কেন্দ্র নির্মাণ প্রকল্পের আওতায় ৩ কোটি ১৬ লাখ ৮৬ হাজার ৫৯৪ টাকা প্রাক্কলিত ব্যয়ে চারতলা বিশিষ্ট কামারশোন সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় কাম বন্যা আশ্রয়ণ কেন্দ্র নির্মাণ কাজের দরপত্র আহ্বান করা হয়। তখন মীম এন্টারপ্রাইজ নামের একটি ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান নির্মাণ কাজটি পেয়ে গেলে ২০২০ সালের ২৩ আগস্ট মাসে কাজ শুরুর কার্যাদেশ দেওয়া হয়। এ কাজের শেষ তারিখ ২০২২ সালের মার্চ মাস পর্যন্ত রয়েছে।
এদিকে কামারশোন গ্রামের আইয়ূব আলী, আলতাব হোসেন ও মজনু সরকার বলেন, ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান কামারশোন সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় কাম বন্যা আশ্রয়ণ কেন্দ্র নির্মাণের কার্যাদেশ পাওয়ার প্রায় সাত মাস পর ২০২১ সালের মার্চ মাসের মাঝামাঝি সময়ে কাজ শুরু করেন। এপ্রিল মাসে বেস ও কলাম ঢালাইয়ের পর আর কোনো কাজ না করে ফেলে রেখেছেন।
সরেজমিনে দেখা গেছে, ঐ আশ্রয়ণ কেন্দ্রের বেস ঢালাই দিয়ে হাফ কলাম করে তা ফেলে রাখা হয়েছে। ফলে কলামের রডগুলো বৃষ্টিতে ভিজে মরিচা ধরে কার্য ক্ষমতা হারাতে বসেছে। হয়তোবা অল্প কিছুদিনের মধ্যে রডের বেশ খানিকটা অংশ বন্যার পানিতে তলিয়ে যাবে। তখন আরও বেশি ক্ষতি হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে।
ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান মেসার্স মীম এন্টারপ্রাইজের স্বত্বাধিকারী শামসুল ইসলাম বলেন, বন্যা আশ্রয়ণ কেন্দ্রের নকশা বারবার পরিবর্তন করায় কাজের ধীরগতি হয়েছে। কেমিক্যাল (বরাল) দিয়ে রডের মরিচা পরিষ্কার করে পুনরায় কাজ শুরু করা হবে।
এ প্রসঙ্গে দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা অধিদপ্তরের সহকারী প্রকৌশলী মো. জালাল উদ্দিন দৈনিক ইত্তেফাককে বলেন, নির্মাণ কাজের ধীরগতির কারণে ইতোমধ্যে ঠিকাদারকে দুইবার কারণ দর্শানোর জন্য নির্দেশ প্রদান করা হয়েছে।
ইত্তেফাক/এমএএম
