ঢাকার বুড়িগঙ্গা নদীর খোলামোড়া ও কামরাঙ্গীর চরে দখল করে গড়ে তোলা অবৈধ স্থাপনা উচ্ছেদে অভিযান চালাচ্ছে বাংলাদেশ অভ্যন্তরীণ নৌ-পরিবহন কর্তৃপক্ষ (বিআইডব্লিওটিএ)। অভিযানের দ্বিতীয় দফায় শাহ সিমেন্টের তিনটি গোডাউন ভবন ও টং দোকানসহ প্রায় দেড় শতাধিক অবৈধ স্থাপনা উচ্ছেদ করা হয়েছে। গতকাল মঙ্গলবার সকাল ১০টা থেকে বিকাল ৪টা পর্যন্ত কেরানীগঞ্জে খোলামোড়া ও কামরাঙ্গীর চর এলাকায় অবৈধ স্থাপনাকে উচ্ছেদ করে বিআইডাব্লিউটিএ। এ নিয়ে অভিযানে প্রায় ছয়শ অবৈধ স্থাপনা উচ্ছেদ করা হলো। এর মধ্যে ৫৬টা বহুতল ভবন রয়েছে। বিআইডব্লিউটিএর নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট মুস্তাফিজুর রহমান শাহ সিমেন্ট ও স’মিলের তিন কর্মচারীকে ৩৫ হাজার টাকা জরিমানও আদায় করেন। এ সময় বিআইডব্লিউটিএর চেয়ারম্যান কমান্ডার মোজাম্মেল হক ও ঢাকা নদী বন্দরের যুগ্ম পরিচালক কে এম আরিফ উদ্দিন উপস্থিত ছিলেন।
জানা যায়, ১৯ ফেব্রুয়ারির মধ্যে বুড়িগঙ্গা ও তুরাগ নদীর দু’পাড় দখল মুক্ত করা হবে। প্রথম দফায় গত ২৯ জানুয়ারি থেকে ৩১ জানুয়ারি পর্যন্ত খোলামোড়া, কামরাঙ্গীর চর, জিনজিরা, কালিগঞ্জসহ বুড়িগঙ্গা নদীর দু’ধারে পাঁচ তলা ও ছয় তলা ভবনসহ ৪৪৪টি অবৈধ স্থাপনা উচ্ছেদ করে। বিআইডব্লিউটিএর চেয়ারম্যান কমান্ডার মোজাম্মেল হক বলেন, উচ্ছেদকৃত স্থানে স্থায়ী সীমানা নির্ধারণ করে সবুজ বেষ্টনি গড়ে তোলা হবে। বছিলা, খোলামোড়া, গাবতলী, আমিনবাজার অংশে প্রায় দেড় হাজার অবৈধ স্থাপনা রয়েছে আগামী ১৯ ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত এ সকল অবৈধ স্থাপনা পর্যায়ক্রমে উচ্ছেদ করা হবে।
