যার দুর্নীতি ও অনিয়মের দায়ে তিন বছর কারাভোগ করল জাহালম, সেই আবু সালেকের গ্রামের বাড়ি এখন জনশূন্য। ঠাকুরগাঁও সদর উপজেলার বালিয়া ইউনিয়নের সিঙ্গিয়া গ্রামে আবু সালেকের রয়েছে নতুন আলিশান পাকা বাড়ি। সেখানে এখন বিরাজ করছে সুনসান নীরবতা।
মাসখানেক হলো সালেকের পরিবারের সদস্যরা লাপাত্তা। বাড়িটির বাইরের প্রধান দরজা ও ভেতরের দরজাও তালাবদ্ধ। এলাকাবাসী জানিয়েছেন বাড়িতে বসবাস করতেন তার বাবা-মা ও বিবাহিত বোন; কিন্তু এখন তারা কেউ বাড়িতে নেই।
বছরখানেক হলো আবু সালেক নিজেও বাড়ি আসতেন না। এসময় তার পরিবারের কোনো সদস্যের সঙ্গেও তার তেমন একটা যোগাযোগ হতো না।
মাস দেড়েক আগে এই প্রতিবেদককে সালেকের বাবা আবদুল কুদ্দুস জানিয়েছিলেন, এসএসসি পরীক্ষার পর বাবার বকুনি খেয়ে ঢাকায় পাড়ি জমায় আবু সালেক। সংসারে একমাত্র ছেলে হওয়ায় পরিবারের শাসন মানত না সালেক। বেপরোয়া সালেক ঢাকায় থাকলেও পরিবারের সাথে তেমন যোগাযোগ রাখেনি বলে জানান আবদুল কুদ্দুস। তবে ঢাকায় ভোটার আইডি কার্ড (এনআইডি) তৈরির সাথে যুক্ত ছিল সে।
গ্রামের আনসারুল ইসলাম, দেলোয়ার হোসেন ও আব্দুর রশিদ জানান, হঠাত্ বড় লোক হয় আবু সালেক। বাড়িঘর কাঁচা থাকলেও আলিশান ঘর নির্মাণ করেন তিনি। গ্রামের বাড়িতে সম্পদ না করলেও বোনের বাড়ি পঞ্চগড়ের বোদা উপজেলায় টেলিভিশনের শো’রুম দেয় আবু সালেক। আর সেখানে বেশ কিছু জমিও ক্রয় করেন।
আবদুল কুদ্দুসও তার ছেলের অপকর্মের শাস্তি দাবি করেছেন।
