পররাষ্ট্রমন্ত্রী ড. এ কে আব্দুল মোমেন বলেছেন, রোহিঙ্গা সংকট দীর্ঘায়িত হলে এ অঞ্চলে অনিশ্চয়তা ও অস্থিতিশীলতা দেখা দিতে পারে। এই সমস্যা শুধু মিয়ানামার ও বাংলাদেশের নয় বরং এ অঞ্চলের অন্যান্য দেশের জন্যও বড় সমস্যার কারণ হতে পারে। এমনকি এটি বৈশ্বিক সমস্যা হিসেবে আবির্ভূত হতে পারে। গতকাল মঙ্গলবার মঙ্গলবার পররাষ্ট্রমন্ত্রীর দফতরে কানাডার প্রধানমন্ত্রী জাস্টিন ট্রুডোর মিয়ানমার বিষয়ক বিশেষ দূত বব রে’র সঙ্গে সাক্ষাতের পর তিনি সাংবাদিকদের এসব কথা বলেন।
এ সময় ট্রুডোর বিশেষ দূত বব রে বলেন, রোহিঙ্গা সমস্যার সমাধানে আমাদের অনেক কিছু করতে হবে এবং কার্যকর পদক্ষেপ নিতে হবে। রোহিঙ্গাদের প্রত্যাবাসন অবশ্যই জরুরি। রোহিঙ্গা সংকট নিয়ে আলোচনা চালিয়ে সমাধান বের করার লক্ষ্যে শুক্রবার পাঁচ দিনের সফরে বাংলাদেশে আসেন বব রে।
আজ নয়াদিল্লি যাচ্ছেন পররাষ্ট্রমন্ত্রী:বাংলাদেশ-ভারত যৌথ পরামর্শমূলক কমিশনের (জেসিসি) বৈঠকে যোগ দিতে আজ বুধবার রাতে ভারতের রাজধানী নয়াদিল্লি যাচ্ছেন পররাষ্ট্রমন্ত্রী মোমেন। ভারত সফরকালে তিনি দেশটির প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীর সঙ্গে সাক্ষাত্ করবেন। এছাড়া দেশটির পররাষ্ট্রমন্ত্রী সুষমা স্বরাজের সঙ্গে একান্তে বৈঠক করবেন। এই সফরে দুই দেশের মধ্যে বেশ কয়েকটি সমঝোতা স্মারক (এমওইউ) সই হবে বলে জানা গেছে।
রোহিঙ্গা সংকটের অন্তর্বর্তীকালীন সমাধান চান কানাডার বিশেষ দূত: কানাডার প্রধানমন্ত্রী জাস্টিন ট্রুডোর মিয়ানমার বিষয়ক বিশেষ দূত বব রে বলেছেন, রোহিঙ্গা সমস্যা সমাধানে দীর্ঘমেয়াদে নেওয়া কোনো পদক্ষেপ বাংলাদেশের জন্য স্বস্তিদায়ক হবে না। এই সংকট সমাধানের জন্য অন্তর্বর্তীকালীন সমাধানের পথ খুঁজতে হবে। গতকাল ‘রোহিঙ্গা সমস্যার সমাধান:দীর্ঘমেয়াদী কার্যকর পদক্ষেপ’ শীর্ষক এক আলোচনা সভায় তিনি এ কথা বলেন। রিডিং ক্লাব ট্রাস্টের সহযোগিতায় ঢাকাস্থ কানাডিয়ান হাইকমিশনের উদ্যোগে রাজধানীর একটি হোটেলে আয়োজিত সভায় প্যানেল বক্তা হিসেবে বক্তব্য রাখেন ব্রিগেডিয়ার জেনারেল অবসরপ্রাপ্ত এম সাখাওয়াত হোসেন, মেজর জেনারেল অবসরপ্রাপ্ত এ এন এম মুনীরুজ্জামান, রাজা দেবাশীষ রায় এবং কূটনৈতিক হুমায়ুন কবির। প্রফেসর সৈয়দ আমীর খসরুর সভাপতিত্বে সভায় অতিথি বক্তা হিসেবে বক্তব্য রাখেন পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী শাহরিয়ার আলম।
