ফরিদপুরের মধুখালী উপজেলা সমবায় কর্মকর্তাকে পিটিয়ে ও কুপিয়ে জখম করা হয়েছে বলে অভিযোগ উঠেছে। এ ঘটনায় থানায় মামলা হয়েছে। তবে কোনো আসামিকে এখনো পর্যন্ত গ্রেফতার করতে পারেনি পুলিশ। ঐ কর্মকর্তা মধুখালী উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে চিকিত্সাধীন রয়েছেন।
আহত সমবায় কর্মকর্তার নাম মো. হাবিবুর রহমান (৪০)। তিনি মধুখালী পৌরসভার ৫ নম্বর ওয়ার্ডের পশ্চিম গাড়াখোলা মহল্লার মো. নূরুল ইসলামের ছেলে।
মামলার এজাহার সূত্রে জানা যায়, গত শুক্রবার রাত সাড়ে ৯টার দিকে হাবিবুর রহমান মশার কয়েল কিনতে পশ্চিম গাড়াখোলাস্থ বাসা থেকে বের হন। পৌরসভার ৭ নম্বর ওয়ার্ডের পূর্ব গাড়াখোলা এলাকার কাজল বসুর বাড়ির সামনে গেলে সানজিদ হাসান ওরফে সৌরভ (৩২) তার সহযোগী বনমালিদিয়ার জনি মুন্সীসহ অজ্ঞাতনামা আরো চার জন তার পথরোধ করে লাঠি, লোহার রড ও ধারালো অস্ত্র দিয়ে পিটিয়ে ও কুপিয়ে জখম করে। এ সময় তার পকেটে থাকা সাড়ে নয় হাজার টাকা নিয়ে যায়। তার চিত্কারে এলাকাবাসী এগিয়ে এলে হামলাকারীরা পালিয়ে যায়।
সানজিদ পূর্ব গাড়াখালা মহল্লার বাসিন্দা আলমগীর হোসেনের ছেলে। আলমগীর হোসেন মধুখালী পৌরসভার ৭ নম্বর ওয়ার্ডের কাউন্সিলর ছিলেন। বর্তমানে সানজিদের মা রেহানা বেগম ঐ ওয়ার্ডের কাউন্সিলর।
সানজিদ হাসান সৌরভের মা কাউন্সিলর রেহানা বেগম বলেন, পূর্ব গাড়াখোলা মহল্লার কাজল বসুর বাড়ির সামনে যে এলাকায় এ ঘটনা ঘটেছে সেটি মাদক অধ্যুষিত এলাকা। ঐ কর্মকর্তাকে মোটরসাইকেলে সন্দেহজনকভাবে ঘোরাফেরা করতে দেখে সানজিদের সন্দেহ হয়। এ নিয়ে সানজিদ তাকে চ্যালেঞ্জ করে। তাদের মধ্যে কথাকাটাকাটিও হয় এবং সানজিদ কিল ঘুষিও মারে। তবে তিনি যে উপজেলা সমবায় কর্মকর্তা তা সানজিদ বুঝতে পারেনি।
