রামেক হাসপাতালে করোনা ও উপসর্গে আরও ১৮ জনের মৃত্যু 

আপডেট : ২৮ জুলাই ২০২১, ১৩:২০

রাজশাহী মেডিকেল কলেজ (রামেক) হাসপাতালে গত ২৪ ঘণ্টায় করোনা ও উপসর্গে আরও ১৮ জনের মৃত্যু হয়েছে। মঙ্গলবার সকাল থেকে বুধবার সকাল পর্যন্ত এ হাসপাতালের করোনা ইউনিটে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তাদের মৃত্যু হয়। এদের মধ্যে করোনা পজিটিভ ৬ জন এবং উপসর্গে ১২ জন মারা যান। রামেক হাসপাতালের পরিচালক বিগ্রেডিয়ার জেনারেল শামীম ইয়াজদানী এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন।

এ নিয়ে জুলাই মাসের ২৮ দিনে রামেক হাসপাতালে করোনা ও উপসর্গে ৫২৩ জনের মৃত্যু হলো। এর মধ্যে করোনা পজিটিভ হয়ে ১৬৭ জন, করোনা পজিটিভ থেকে নেগেটিভ হওয়ার পর ৩৫ জন এবং বাকিরা করোনার উপসর্গে মারা যান। সবচেয়ে বেশী মারা যান ১৪ জুলাই ২৫ জন ও সবচেয়ে কম ৪ জুলাই ১২ জন। এর আগে গত জুন মাসে এ হাসপাতালের করোনা ইউনিটে করোনা ও উপসর্গে মারা যান ৪০৫ জন।

রামেক করোনা ইউনিটে প্রাণ গেলো আরও ২২ জনের

রামেক পরিচালক জানান, নতুন মৃতদের রাজশাহীর ৬ (পজিটিভ ২, উপসর্গে ৪) জন, নাটোরের ৩ (পজিটিভ ১, উপসর্গ ২) জন, পাবনায় ৭ (পজিটিভ ২, উপসর্গ ৫) জন, কুষ্টিয়ার ১ (পজিটিভ) ও মেহেরপুরের ১ (উপসর্গ) জন। তিনি বলেন, আজ বুধবার সকাল পর্যন্ত এ হাসপাতালের ৫১৩টি করোনা ডেডিকেটেড বেডের বিপরীতে করোনা ও উপসর্গের রোগী ভর্তি রয়েছেন ৪০৩ জন। বুধবার সকাল পর্যন্ত ২৪ ঘণ্টায় রামেক হাসপাতালে নতুন ভর্তি হয়েছেন ৫০ জন। একই সময়ে সুস্থ হয়ে হাসপাতাল ছেড়েছেন ৩৯ জন।

পরিচালক জানান, রামেক হাসপাতালের করোনা ইউনিটে চিকিৎসাধীন ৪০৩ জনের মধ্যে ১৮৩ জনের করোনা পজিটিভ রয়েছে। আর উপসর্গ নিয়ে ভর্তি রয়েছেন ১৭৭ জন। এছাড়াও চিকিৎসা নিয়ে করোনামুক্ত হওয়ার পর ফুসফুসে ইনফেকশনসহ পরবর্তী শারীরিক জটিলতার কারণে চিকিৎসাধীন রয়েছেন ৪৩ জন।

রামেক করোনা ইউনিটে প্রাণ গেলো আরও ১৮ জনের

তিনি আরও জানান, মঙ্গলবার রাজশাহী মেডিকেল কলেজের (রামেক) ভাইরোলজি ল্যাব এবং রাজশাহী মেডিকেল কলেজ (রামেক) হাসপাতালের মলিকুলার ল্যাবে রাজশাহী, চাঁপাইনবাবগঞ্জ ও নাটোর জেলার ৭৪৫ জনের নমুনা পরীক্ষা হয়েছে। এর মধ্যে করোনা পজিটিভ এসেছে ১৫৯ জনের। রামেক ভাইরোলজি ল্যাবে রাজশাহীর ২৭৬ নমুনায় ৫২ জনের ও  নাটোরের ২৫ নমুনায় ১ জনের এবং চাঁপাইনবাবগঞ্জের ১৭২ নমুনায় ৩১ জনের করোনা পজিটিভ এসেছে। অন্যদিকে রামেক হাসপাতালের মলিকুলার ল্যাবে ২৮২ নমুনায় ৭৫ জনের করোনা পজিটিভ এসেছে। রাজশাহীতে সংক্রমণের হার ২২ দশমিক ৭৫ শতাংশ, নাটোরে সংক্রমণের হার ১৮ দশমিক ০২ শতাংশ এবং চাঁপাইনবাবগঞ্জে সংক্রমণের হার দাঁড়িয়েছে ৬ দশমিক ৬৭ শতাংশ।

ইত্তেফাক/এমআর