চট্টগ্রাম জেলা শিল্পকলা একাডেমি মিলনায়তনে কণ্ঠনীড় বাচিক শিক্ষা চর্চাকেন্দ্র আয়োজনে গত ২৮ জানুয়ারি অনুষ্ঠিত হয় আবৃত্তি সন্ধ্যা ‘এপার-ওপার এক কণ্ঠ’।
অনুষ্ঠানে বাংলাদেশ ও কলকাতার শিল্পীরা আবৃত্তি পরিবেশন করেন। সংগঠনের সভাপতি সেলিম রেজা সাগরের স্বাগত বক্তব্যের মধ্য দিয়ে শুরু হয় অনুষ্ঠান।
এতে উদ্বোধক হিসেবে ছিলেন বাংলা একাডেমি পুরস্কারপ্রাপ্ত কবি রাশেদ রউফ।
এতে প্রধান অতিথি ছিলেন চট্টগ্রাম মেট্রোপলিটন পুলিশের উপ-কমিশনার (দক্ষিণ) এসএম মেহেদী হাসান, বিপিএম, পিপিএম (বার)।
দুই পর্বের এ আবৃত্তি সন্ধ্যায় প্রথম পর্বে দলীয় ও একক আবৃত্তি পরিবেশন করেন কণ্ঠনীড় সদস্যরা। ‘মঙ্গলালোকে’ শিরোনামে দলীয় আবৃত্তির পর শুরু হয় একক আবৃত্তি।
নাহিদা রওশন শামসুর রাহমানের ‘পান্থজন’, দ্বীপান্বিতা চৌধুরী রবীন্দ্রনাথের ‘মাকাল’, শারমিন নাহিদ সৃজা ঘোষের ‘বছর চারেক পর’, ফারজানা আকতার, পূর্ণেন্দু পত্রীর ‘সোনার মেডেল’ জেসমিন আক্তার সুকুমার রায়ের ‘ভয় পেয়োনা’, সোমা মুত্সুদ্দি রবীন্দ্রনাথের ‘নির্ঝরের স্বপ্নভঙ্গ’ কবিতা আবৃত্তি করেন।
এছাড়া আবৃত্তি পরিবেশন করেন মীরা দেবনাথ, রাজিব খান, তানিয়া আক্তার ও কানিজ ফাতেমা হীরা।
দ্বিতীয় পর্বে কবি কামরুল হাসানের বাদলের সঞ্চালনায় আবৃত্তি পরিবেশন করেন আবৃত্তিশিল্পী রাশেদ হাসান, আহসানউল্লাহ তমাল ও জুঁই দে (কলকাতা)। এ পর্বে আবৃত্তিশিল্পীরা তাদের দীর্ঘ শিল্পী জীবন, আবৃত্তি ও সমকালীন দেশ ও রাজনীতি নিয়ে কথা বলেন। শিল্পী হিসেবে সমাজের কাছে দায়বদ্ধতার কথা বলেন।
কবি কামরুল হাসান বাদলের উপস্থাপনায় শিল্পীরা বাংলাদেশ ও ভারতের বিভিন্ন কবির ৩০টির মতো কবিতা আবৃত্তি করেন।
আবৃত্তিশিল্পী রাশেদ হাসান আবৃত্তি করেন কবি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর, সৈয়দ শামসুল হক, শহীদ কাদরী, শুভদাশ গুপ্ত, নির্মলেন্দু গুণ ও শাহীদ আনোয়ারের কবিতা। আবৃত্তিশিল্পী আহসানউল্লাহ তমাল আবৃত্তি করেন কবি মল্লিকা সেনগুপ্তের গোলাপ বাগান, সুবোদ সরকারের শাড়ি, হুমায়ুন আজাদের আমাদের মা, আলী ইমাম খানের সাধনা, তামান্না সরোয়ারের আর পারি না বাবা ও রবীন্দ্রনাথের গুল্পগুচ্ছ।
কলকাতার আবৃত্তি শিল্পী জুঁই দে আবৃত্তি করেন রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের পরিচয়, সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়ের পাহাড় চূড়ায়, নীরেন্দ্রনাথ চক্রবর্তীর অমলকান্তি, সুবোধ সরকারের রুটি, জয় গোস্বামীর টিউটোরিয়াল ও শ্রীজাতের ওয়েটিং রুম।
