বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়

র্যাগের দায়ে বহিষ্কৃত সেই ৬ শিক্ষার্থীর বিরুদ্ধে মামলা

আপডেট : ০৬ ফেব্রুয়ারি ২০১৯, ২২:০৬

 

গোপালগঞ্জ প্রতিনিধি

গোপালগঞ্জ বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের (বশেমুরবিপ্রবি) দুই শিক্ষার্থীকে র্যাগিং করার অপরাধে আজীবন বহিষ্কৃত সেই ছয় ছাত্রের বিরুদ্ধে মামলা করেছে বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন।

মঙ্গলবার রাতে বিশ্ববিদ্যালয়ের সহকারী প্রক্টর ও কৃষি বিভাগের সহকারী অধ্যাপক ড. নাজমুল হক বাদী হয়ে গোপালগঞ্জ সদর থানায় ডিজিটাল নিরাপত্তা আইনে মামলাটি করেন।

মামলার আসামিরা হলেন- ইলেকট্রনিক্স অ্যান্ড টেলিকমিউনিকেশন ইঞ্জিনিয়ারিং (ইটিই) বিভাগের দ্বিতীয় বর্ষের প্রথম সেমিস্টারের ছাত্র ঢাকার কেরানীগঞ্জের আব্দুল্লাহপুর গ্রামের মো. শিপন আহম্মেদ, নারায়ণগঞ্জের আড়াইহাজার থানার দেয়াবৈ গ্রামের শাহীন মিয়া, টাঙ্গাইল জেলার নাগরপুর থানার বারাপুষা গ্রামের নাদিম ইসলাম, শেরপুরের নকলা গামের হূদয় কুমার ধর, ভোলার কালিনাথ রায়ের বাজারের তূর্জয় হাওলাদার ও ফরিদপুর জেলার মধুখালী উপজেলার পূর্ব গাড়াখোলা গ্রামের আশিকুজ্জামান লিমন।

মামলার বিবরণে বলা হয়েছে, গত শনিবার রাত ৭টা থেকে ১২টা পর্যন্ত বশেমুরবিপ্রবির কৃষি বিভাগের প্রথম বর্ষের প্রথম সেমিস্টারের ছাত্র মো. রাজেশ হোসাইন শিথিল ও মাহামুদুল হাসানকে ক্যাম্পাসের বাইরে গোবরা এলাকার সোবাহান সড়কের অলি সাহেবের মেসের ভেতরে নিয়ে অভিযুক্ত ছয় শিক্ষার্থী বেআইনিভাবে আটক করে অমানসিক শারীরিক, মানসিক নির্যাতন, অশ্লীল বক্তব্য, অশালীন আচরণ, শারীরিক আঘাত ও হুমকি প্রদর্শন করে। সেই সঙ্গে ওই ছয় শিক্ষার্থী নির্যাতনের ভিডিও চিত্র ধারণ করে ফেসবুকে ছেড়ে দেয়। পরবর্তীতে এ ভিডিও চিত্র ফেসবুকে ভাইরাল হয়।

বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রক্টর ও ইংরেজি বিভাগের সহকারী অধ্যাপক মো. আশিকুজ্জামান ভূঁইয়া মামলা দায়েরের বিষয়টি নিশ্চিত করে বলেন, ফেসবুকে র্যাগিংয়ের বিষয়টি ভাইরাল হলে সোমবার প্রক্টোরাল বডি জরুরি বৈঠকে বসে। বৈঠকে স্বাক্ষ্য, প্রমাণ ও তথ্য উপাত্তের ভিত্তিতে ওই ছয় শিক্ষার্থীকে দোষী সাব্যস্ত করে আজীবন বহিষ্কার করা হয়।

গোপালগঞ্জ সদর থানার ওসি মো. মনিরুল ইসলাম বলেন, ছয় শিক্ষার্থীর নামে ডিজিটাল নিরাপত্তা আইনে থানায় মামলা রেকর্ড হয়েছে।