করোনায় ব্যাহত শিশুকিশোর ও তরুণদের স্বাভাবিক জীবনযাত্রা। সংক্রমণের হার কমাতে আরোপিত কঠোর বিধিনিষেধের কারণে বন্ধ শারীরিক বিনোদনের স্থানগুলো। এই সুযোগে তাদের ওপর জেঁকে বসেছে টিকটক লাইকির মতো আসক্তিকর কিছু বিনোদনধর্মী অ্যাপস। এই অ্যাপসগুলোর নেশায় পড়ে ছেলেমেয়েরা ঘণ্টার পর ঘণ্টা কাটিয়ে দিচ্ছে। টিকটক থেকে টাকা পেতে শুরু করেছে অনেকেই। এই অফারের মাধ্যমে গ্রাহককে টিকটক ব্যবহার করানো ছাড়াও তার দ্বারা অন্যকে ব্যবহারে উদ্বুদ্ধ ও আসক্ত করা হচ্ছে। টাকার লোভে পড়ে টিকটকের ফাঁদে পা দিচ্ছে অনেকেই। অনেকদিন থেকেই টিকটক লাইকির বিপক্ষে লেখালেখি হচ্ছে। যেখানে এসব ব্যবহারে শারীরিক ও মানসিক ক্ষতির কথা তুলে ধরা হয়েছে। এই অবস্থা চলতে থাকলে অসুস্থ প্রজন্ম তৈরি হওয়ার আশঙ্কা রয়েছে। টিকটক লাইকির লাগাম টেনে ধরার এখনই সময়। পরিবার ও সমাজের শান্তি রক্ষায় এবং এর বিরূপ প্রভাব মোকাবিলায় অভিভাবক ও কর্তাব্যক্তিদের সচেতন হতে হবে। সন্তানদের ব্যাপারে খোঁজ রাখতে হবে, তাদের সঙ্গে গল্পগুজব করে, ইনডোর গেমস খেলে প্রফুল রাখার চেষ্টা করতে হবে। এক কথায় মোবাইল ফোনের আসক্তি থেকে সন্তানদের বাঁচাতে পরিবারকেই প্রধান ভূমিকা রাখতে হবে।
মো. রাসেল মিয়া
শিক্ষার্থী, ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়, কুষ্টিয়া
